০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদা না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদিত কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশের হস্তক্ষেপ

 

​কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার শহরের কলাতলী বিজয়নগর আবাসিক এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (NSDA) এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘স্কাস টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার’ (STTC) ও স্থানীয় শিশুদের দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ‘আস্-সাফফাহ নূরানী মাদ্রাসা’র জমি জবরদখল এবং চাঁদাবাজির মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, এলাকার কথিত ভূমিদস্যু ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ রুবেলের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের উদ্দেশ্যে চড়াও হয়।

​প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রুবেল ও তার সহযোগী বাহিনী মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং জমি জবরদখল করার অপচেষ্টা চালায়।

​ঘটনা চলাকালীন পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে উঠলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ও সচেতন স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পাওয়ার পরপরই কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি জরুরি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায়।
পুলিশের তাৎক্ষণিক উপস্থিতি টের পেয়ে দখলদার ও চাঁদাবাজ বাহিনীর সদস্যরা তড়িঘড়ি করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

​স্কাস টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (STTC) কর্তৃপক্ষ জানান, এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও জনকল্যাণমূলক একটি প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এটি স্থানীয় যুবসমাজকে মানসম্মত কারিগরি প্রশিক্ষণে দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে কক্সবাজারের বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অন্যদিকে, একই স্থানে অবস্থিত আস্-সাফফাহ নূরানী মাদ্রাসায় এলাকার বহু কোমলমতি শিশু ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করছে।
​এ রকম জনকল্যাণমুখী ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জমি জবরদখলের অপচেষ্টায় পুরো বিজয়নগর আবাসিক এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার সচেতন নাগরিকেরা চিহ্নিত চাঁদাবাজ রুবেল এবং তার বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নিকট জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

চাঁদা না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদিত কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশের হস্তক্ষেপ

Update Time : ০৫:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

 

​কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার শহরের কলাতলী বিজয়নগর আবাসিক এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (NSDA) এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘স্কাস টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার’ (STTC) ও স্থানীয় শিশুদের দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ‘আস্-সাফফাহ নূরানী মাদ্রাসা’র জমি জবরদখল এবং চাঁদাবাজির মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, এলাকার কথিত ভূমিদস্যু ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ রুবেলের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের জমি দখলের উদ্দেশ্যে চড়াও হয়।

​প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রুবেল ও তার সহযোগী বাহিনী মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং জমি জবরদখল করার অপচেষ্টা চালায়।

​ঘটনা চলাকালীন পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে উঠলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ও সচেতন স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। খবর পাওয়ার পরপরই কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি জরুরি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায়।
পুলিশের তাৎক্ষণিক উপস্থিতি টের পেয়ে দখলদার ও চাঁদাবাজ বাহিনীর সদস্যরা তড়িঘড়ি করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

​স্কাস টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (STTC) কর্তৃপক্ষ জানান, এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ও জনকল্যাণমূলক একটি প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে এটি স্থানীয় যুবসমাজকে মানসম্মত কারিগরি প্রশিক্ষণে দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমে কক্সবাজারের বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অন্যদিকে, একই স্থানে অবস্থিত আস্-সাফফাহ নূরানী মাদ্রাসায় এলাকার বহু কোমলমতি শিশু ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করছে।
​এ রকম জনকল্যাণমুখী ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের জমি জবরদখলের অপচেষ্টায় পুরো বিজয়নগর আবাসিক এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার সচেতন নাগরিকেরা চিহ্নিত চাঁদাবাজ রুবেল এবং তার বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নিকট জোরালো দাবি জানিয়েছেন।