০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংরক্ষিত নারী আসনে ১৭ বছরের শ্রমের মূল্যায়ন পাবেন আশায় মহিলা দল নেত্রী সালমা আক্তার বিনু

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আসন্ন সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন মেহেন্দিগঞ্জের সন্তান কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী সালমা আক্তার বিনু। তিনি বিগত ১৭ বছর দলের জন্য জেল জুলুম হুলিয়াসহ রিমান্ডের মতো ভয়াবহ নির্যাতনের মূল্যায়ন চায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। তিনি বলেন, ১০ দফা,১দফা,৩১ দফা সবকিছু নিয়ে আমরা লড়াই করেছি। মৃত্যুর পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে দলের প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়েছি কিন্তু কখনো পিছু হটিনি। দলের প্রধানের নিকট তার আবেদন বিগত আন্দোলন সংগ্রামের ত্যাগের মূল্যায়ন যেনো সঠিক ভাবে করা হয়। সারাদেশে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য পদ। বিশেষ করে বিগত আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে লড়াইয়ে থাকা নারী নেত্রীদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এক ভিডিও সাক্ষাতকারে কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী সালমা আক্তার বিনু বলেন, বিগত ১৭ বছর রাজপথে যাদের ভূমিকা ছিল তারাই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রকৃত দাবিদার হওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, ২০০৮ সাল থেকে প্রতিনিয়ত মিছিল, মিটিং,আন্দোলন,সংগ্রাম,হরতাল,অবরোধ ও দলীয় সকল কর্মসূচতে সক্রিয় ভূমিকা ছিল এবং অদ্যাবধি দলের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশ গ্রহন চলমান আছে। তিনি আরো বলেন,২০১৪ সালের ২ মার্চ ঢাকা আশুলিয়া থানা তৎকালিন শ্রমিকলীগ সভাপতির তত্ত্বাবধানে পুলিশ রেব দিয়ে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা চালায়। একপর্যায়ে আমার উপর গুলি চালানো হয়। এসময় আমার পরিবারসহ এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়ে তুললে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা ৩৮ রাউন্ড গুলি চালায় এতে অনেক বিএনপি কর্মী হতাহত হয়। সে সময় আমাকে গ্রেফতার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। যা ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া ২০২২ সালে আওয়ামীলীগের দোসরদের পরামর্শে আমার শিশু সন্তানসহ পরিবারের সকলের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘরবাড়ি ছাড়া করে রেখেছে দীর্ঘদিন। এমন কি বাসার সামনের রাস্তারটি কেটে নালা করে রাখা হয়, ময়লা যাবার লাইনটি বন্ধ করে রাখে ফ্যাসিস্টরা। তার সমর্থকদের দাবি,দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অবদান,নেতৃত্বের গুণাবলী ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে নারী নেত্রীদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করবে। কেন্দ্রীয় মহিলা দল সদস্য সালমা আক্তার বিনু সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহনকারী নির্যাতিত নেত্রী। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে আরো বলেন,আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটা কর্মসূচিকে জীবনের ঝুকি নিয়ে অংশ গ্রহন করেছি। অনেকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি। সময় এসেছে আমার বিগত দিনের শ্রম ও ত্যাগের মূল্যায়ন করার। দল যদি সেটা সঠিক মাপকাঠিতে করেন,তবে আমি শতভাগ আশাবাদি। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এবিষয়ে দলের অবস্থান পরিস্কার করে বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন,সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে জনগনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা,দলের প্রতি ত্যাগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সালমা আক্তার বিনুর জন্ম বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উত্তর উলানিয়া ইউনিয়নে। উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য ঢাকাতে অবস্থান করার সময় থেকেই তিনি বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহন করেছে। পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলে নাম লিখান। মাঠ পর্যায়ে মহিলা দলকে শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সালমা আক্তার বিনু। তিনি ঢাকা জেলা বিএনপির সদস্য। তিনি বরিশাল বিভাগের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং সদস্য জিয়া স্মৃতি পাঠাগার। তার অনুসারিদের প্রত্যাশা,একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার, এই মহিলা দল নেত্রীকে দলের হাই কমান্ড তার দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করবে আসন্ন সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য পদে তাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

সংরক্ষিত নারী আসনে ১৭ বছরের শ্রমের মূল্যায়ন পাবেন আশায় মহিলা দল নেত্রী সালমা আক্তার বিনু

Update Time : ০২:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আসন্ন সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন মেহেন্দিগঞ্জের সন্তান কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী সালমা আক্তার বিনু। তিনি বিগত ১৭ বছর দলের জন্য জেল জুলুম হুলিয়াসহ রিমান্ডের মতো ভয়াবহ নির্যাতনের মূল্যায়ন চায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। তিনি বলেন, ১০ দফা,১দফা,৩১ দফা সবকিছু নিয়ে আমরা লড়াই করেছি। মৃত্যুর পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে দলের প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়েছি কিন্তু কখনো পিছু হটিনি। দলের প্রধানের নিকট তার আবেদন বিগত আন্দোলন সংগ্রামের ত্যাগের মূল্যায়ন যেনো সঠিক ভাবে করা হয়। সারাদেশে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য পদ। বিশেষ করে বিগত আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে লড়াইয়ে থাকা নারী নেত্রীদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এক ভিডিও সাক্ষাতকারে কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী সালমা আক্তার বিনু বলেন, বিগত ১৭ বছর রাজপথে যাদের ভূমিকা ছিল তারাই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রকৃত দাবিদার হওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, ২০০৮ সাল থেকে প্রতিনিয়ত মিছিল, মিটিং,আন্দোলন,সংগ্রাম,হরতাল,অবরোধ ও দলীয় সকল কর্মসূচতে সক্রিয় ভূমিকা ছিল এবং অদ্যাবধি দলের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশ গ্রহন চলমান আছে। তিনি আরো বলেন,২০১৪ সালের ২ মার্চ ঢাকা আশুলিয়া থানা তৎকালিন শ্রমিকলীগ সভাপতির তত্ত্বাবধানে পুলিশ রেব দিয়ে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা চালায়। একপর্যায়ে আমার উপর গুলি চালানো হয়। এসময় আমার পরিবারসহ এলাকাবাসী প্রতিরোধ গড়ে তুললে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা ৩৮ রাউন্ড গুলি চালায় এতে অনেক বিএনপি কর্মী হতাহত হয়। সে সময় আমাকে গ্রেফতার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। যা ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া ২০২২ সালে আওয়ামীলীগের দোসরদের পরামর্শে আমার শিশু সন্তানসহ পরিবারের সকলের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘরবাড়ি ছাড়া করে রেখেছে দীর্ঘদিন। এমন কি বাসার সামনের রাস্তারটি কেটে নালা করে রাখা হয়, ময়লা যাবার লাইনটি বন্ধ করে রাখে ফ্যাসিস্টরা। তার সমর্থকদের দাবি,দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অবদান,নেতৃত্বের গুণাবলী ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে নারী নেত্রীদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করবে। কেন্দ্রীয় মহিলা দল সদস্য সালমা আক্তার বিনু সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহনকারী নির্যাতিত নেত্রী। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে আরো বলেন,আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটা কর্মসূচিকে জীবনের ঝুকি নিয়ে অংশ গ্রহন করেছি। অনেকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি। সময় এসেছে আমার বিগত দিনের শ্রম ও ত্যাগের মূল্যায়ন করার। দল যদি সেটা সঠিক মাপকাঠিতে করেন,তবে আমি শতভাগ আশাবাদি। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এবিষয়ে দলের অবস্থান পরিস্কার করে বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন,সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে জনগনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা,দলের প্রতি ত্যাগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সালমা আক্তার বিনুর জন্ম বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উত্তর উলানিয়া ইউনিয়নে। উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য ঢাকাতে অবস্থান করার সময় থেকেই তিনি বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহন করেছে। পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলে নাম লিখান। মাঠ পর্যায়ে মহিলা দলকে শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সালমা আক্তার বিনু। তিনি ঢাকা জেলা বিএনপির সদস্য। তিনি বরিশাল বিভাগের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং সদস্য জিয়া স্মৃতি পাঠাগার। তার অনুসারিদের প্রত্যাশা,একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার, এই মহিলা দল নেত্রীকে দলের হাই কমান্ড তার দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করবে আসন্ন সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য পদে তাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে।