০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু

 

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ :

কক্সবাজারের টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত আবুল কাসেম প্রকাশ লেডু মিস্ত্রি (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত আবুল কাসেম হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হামজারছড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ফার্নিচার মিস্ত্রি ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি উলুচামরী এলাকার মৃত আবুল মঞ্জুরের ছেলে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) হামজারছড়া এলাকায় বসতভিটার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে আবুল কাসেমের সঙ্গে তাঁর ছেলে হারুন অর রশিদের কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হ্নীলার একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় প্রতিবেশী ও স্বজনদের অভিযোগ, বসতভিটার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আবুল কাসেমকে তাঁর ছেলে হারুন অর রশিদ ও তাঁর স্ত্রী ছুরিকাঘাত করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিস্তারিত ও আইনগত পদক্ষেপ জানতে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু

Update Time : ১১:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ :

কক্সবাজারের টেকনাফে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত আবুল কাসেম প্রকাশ লেডু মিস্ত্রি (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত আবুল কাসেম হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হামজারছড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ফার্নিচার মিস্ত্রি ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি উলুচামরী এলাকার মৃত আবুল মঞ্জুরের ছেলে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) হামজারছড়া এলাকায় বসতভিটার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে আবুল কাসেমের সঙ্গে তাঁর ছেলে হারুন অর রশিদের কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হ্নীলার একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় প্রতিবেশী ও স্বজনদের অভিযোগ, বসতভিটার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আবুল কাসেমকে তাঁর ছেলে হারুন অর রশিদ ও তাঁর স্ত্রী ছুরিকাঘাত করেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিস্তারিত ও আইনগত পদক্ষেপ জানতে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।