০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দল থেকে বহিষ্কারের পরও দলীয় পরিচয়ে প্রচারণার অভিযোগ হাশেম চৌধুরীর বিরুদ্ধে

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাশেম চৌধুরীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে বহিষ্কারের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফেসবুক সহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে হাশেম চৌধুরী নিজেকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হিসেবে জাহির করে চলছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৯ মে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় মোহাম্মদ হাশেম চৌধুরীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল । একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিভিন্ন সূত্রে আমরা জানতে পারি, বহিষ্কারের পরও তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় পদ-পদবি উল্লেখ করে বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—বহিষ্কার হওয়ার পরও তিনি কীভাবে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করছেন এবং কার অনুমোদনে এসব প্রচারণা চালাচ্ছেন?

বহিষ্কারের পর দলীয় পদ-পদবি ব্যবহার করে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানো হলে তার দায় সংগঠন নেবে না বলেও আমারা জানতে পারি।

এ বিষয়ে বহিষ্কৃত মোহাম্মদ হাসেম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ হাশেম চৌধুরী চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার সাইদাইর গ্রামের বাসিন্দা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

দল থেকে বহিষ্কারের পরও দলীয় পরিচয়ে প্রচারণার অভিযোগ হাশেম চৌধুরীর বিরুদ্ধে

Update Time : ০৪:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাশেম চৌধুরীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে বহিষ্কারের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ফেসবুক সহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে হাশেম চৌধুরী নিজেকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হিসেবে জাহির করে চলছে।

সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৯ মে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় মোহাম্মদ হাশেম চৌধুরীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল । একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিভিন্ন সূত্রে আমরা জানতে পারি, বহিষ্কারের পরও তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় পদ-পদবি উল্লেখ করে বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—বহিষ্কার হওয়ার পরও তিনি কীভাবে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করছেন এবং কার অনুমোদনে এসব প্রচারণা চালাচ্ছেন?

বহিষ্কারের পর দলীয় পদ-পদবি ব্যবহার করে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানো হলে তার দায় সংগঠন নেবে না বলেও আমারা জানতে পারি।

এ বিষয়ে বহিষ্কৃত মোহাম্মদ হাসেম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ হাশেম চৌধুরী চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার সাইদাইর গ্রামের বাসিন্দা।