১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালিয়াকৈরে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় চার্জ দেওয়ায় বাড়ছে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট উৎপাদনের ৫ শতাংশ চলে যায় অবৈধ অটোরিশকার পেছনে

 

 

 

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

 

 

সারাদেশে জুড়ে প্রায় ৫৫ লাখ অটোরিকশা চার্জে বছরে খরচ প্রায় ৩.৫০ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। মোট উৎপাদনের ৫ শতাংশই চলে যায় অবৈধ অটোরিকশার পেছনে। তবে মিটার থেকে এই বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না, ভার চাপে সাধারণ জনগণের কাঁধে। বছরে সরকার রাজস্ব হারায় ৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ প্রতিটা গ্যারেজে রিকশা রাখা ও চার্জ দেওয়া বাবদ লেনদন হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা।

লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েননি, এ দেশে এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। গ্যাস সংকট, কম উৎপাদনসহ নানা কারণে বিদ্যুৎবিভ্রাট হতে পারে। তবে, অটোরিকশার পেছনে বিদ্যুৎ খরচের হিসাব দেখলে, একেই লোডশেডিংয়ের বড় কারণ মনে হতে পারে।

আংশিক হিসাবে, সারা দেশে ৫৫ লাখ অটোরিকশা আছে। একেকটিতে থাকে ৪ থেকে ৬টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি। চার্জের জন্য এক ঘণ্টায় বিদ্যুৎ লাগে প্রায় ১১০০ ওয়াট। ৮ ঘণ্টা চার্জে থাকলে, খরচ হয় প্রায় ৯ ইউনিট বিদ্যুৎ।

এই বিদ্যুতের বিল কিন্তু সরকার পায় না। কারণ, খুঁটি থেকে এভাবেই টানা হয় অবৈধ লাইন।গাজীপুর কালিয়াকৈর শিল্পাঞ্চলেই এমনভাবে চার্জ দেয়া হয় কয়েক হাজার অটোরিকশা।

এক গবেষণায়,সারাদেশ জুড়ে প্রায় ২০ লাখ অটোরিকশার হিসাব পেয়েছে সিপিডি। প্রতিটি একবার চার্জের জন্য গড়ে ১০০ টাকা নেয় গ্যারেজ। এতে দিনে লেনদেন দাঁড়ায় ২০ কোটি টাকায়, আর বছরের হিসাবে ৭ হাজার ২০০ কোটি।

অবৈধ লেনদেনের এই জাল, নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তাই অটোরিকশার গ্যারেজে সরাসরি অভিযানের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

কালিয়াকৈরে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় চার্জ দেওয়ায় বাড়ছে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট উৎপাদনের ৫ শতাংশ চলে যায় অবৈধ অটোরিশকার পেছনে

Update Time : ০১:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

 

 

 

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

 

 

সারাদেশে জুড়ে প্রায় ৫৫ লাখ অটোরিকশা চার্জে বছরে খরচ প্রায় ৩.৫০ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। মোট উৎপাদনের ৫ শতাংশই চলে যায় অবৈধ অটোরিকশার পেছনে। তবে মিটার থেকে এই বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না, ভার চাপে সাধারণ জনগণের কাঁধে। বছরে সরকার রাজস্ব হারায় ৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ প্রতিটা গ্যারেজে রিকশা রাখা ও চার্জ দেওয়া বাবদ লেনদন হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা।

লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েননি, এ দেশে এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। গ্যাস সংকট, কম উৎপাদনসহ নানা কারণে বিদ্যুৎবিভ্রাট হতে পারে। তবে, অটোরিকশার পেছনে বিদ্যুৎ খরচের হিসাব দেখলে, একেই লোডশেডিংয়ের বড় কারণ মনে হতে পারে।

আংশিক হিসাবে, সারা দেশে ৫৫ লাখ অটোরিকশা আছে। একেকটিতে থাকে ৪ থেকে ৬টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি। চার্জের জন্য এক ঘণ্টায় বিদ্যুৎ লাগে প্রায় ১১০০ ওয়াট। ৮ ঘণ্টা চার্জে থাকলে, খরচ হয় প্রায় ৯ ইউনিট বিদ্যুৎ।

এই বিদ্যুতের বিল কিন্তু সরকার পায় না। কারণ, খুঁটি থেকে এভাবেই টানা হয় অবৈধ লাইন।গাজীপুর কালিয়াকৈর শিল্পাঞ্চলেই এমনভাবে চার্জ দেয়া হয় কয়েক হাজার অটোরিকশা।

এক গবেষণায়,সারাদেশ জুড়ে প্রায় ২০ লাখ অটোরিকশার হিসাব পেয়েছে সিপিডি। প্রতিটি একবার চার্জের জন্য গড়ে ১০০ টাকা নেয় গ্যারেজ। এতে দিনে লেনদেন দাঁড়ায় ২০ কোটি টাকায়, আর বছরের হিসাবে ৭ হাজার ২০০ কোটি।

অবৈধ লেনদেনের এই জাল, নিয়ন্ত্রণ কঠিন। তাই অটোরিকশার গ্যারেজে সরাসরি অভিযানের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।