০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর গণপূর্ত উপ-বিভাগ ২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম অফিসে পাওয়া যায় না সঠিক সময়ে মানছেন না সরকারি নিয়ম

​নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোর গণপূর্ত উপ-বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ সকাল ৯,৩০ মিনিট থেকে শুরু করে সকাল ১০ টায় ও অফিস আসতে দেখা গেছে: মানছেন না সরকারি নিয়ম এ যেন দেখার কেউ নেই।

যেখানে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে কর্মঘণ্টা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার কড়া নির্দেশনা রয়েছে, সেখানে যশোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয় (গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২)-এ সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে চরম অনিয়ম, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সঠিক সময়ে অফিসে আসেন না, নিজেদের ইচ্ছায় অফিস করছেন।

সপ্তাহের প্রায় প্রতিটি কার্যদিবসেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যালয়ে উপস্থিতি নিয়ে চলছে ইচ্ছেমাফিক খেয়ালখুশি যখন মন চাইছে তখন আসছেন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা।

​সম্প্রতিক জাতীয় সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা পত্রিকার অনুসন্ধানী দল সরজমিনে উক্ত কার্যালয়ে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেরিতে আসার এই ভয়াবহ চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।

সকাল ৯.১০ মিনিট অফিস চত্বরে অনুসন্ধানী টিম প্রবেশ করার পর দেখা মেলে কেবল মাত্র অফিস সহায়ক টিটোর।

অফিস সহায়ক টিটো ছাড়া পুরো অফিস খাঁ খাঁ করছিল এবং কর্মকর্তাদের অফিস রুমে ঝুলছিল তালা,
সকাল ৯.৪৫ মিনিট অফিসে প্রবেশ করেন সহকারী প্রকৌশলী মশিউর রহমান।

দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, যশোর মেডিকেল কলেজে ঢালাইয়ের কাজ চলায় সরাসরি ফিল্ড থেকে আসছেন।

তবে অনুসন্ধানী টিম তাৎক্ষণিক মেডিকেল কলেজে গিয়ে কাজের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজারের সাথে কথা বললে জানা যায়, মশিউর রহমান কিছুক্ষণ আগে আসছেন।

গণমাধ্যমের উপস্থিতি টের পেয়েই তিনি মূলত তড়িঘড়ি করে ছদ্মবেশে বের হয়ে যান এবং পরে গিয়ে বসে থাকেন।

​সকাল ৯.৫৫ মিনিট আসতে দেখা গেছে বড়বাবু’ হিসেবে পরিচিত হিসাবরক্ষক আরিফুর রহমানের। নিয়মিত দেরিতে আসার অভিযোগ থাকলেও তার সংক্ষিপ্ত উত্তর, আমার সাধারণত লেট হয় না, আজ একটু লেট হয়ে গেছে।

সকাল ৯.৫৫ মিনিট প্রবেশ করেন সহকারী প্রকৌশলী বিল্লাল হোসেন। দুটি সাইটের অজুহাত দিলেও আজ কোনো সাইটেই তিনি যাননি বলে স্বীকার করেন, তিনি বলেন আমি প্রতিদিন সঠিক সময়ে অফিসে আসি তবে যদি কোন সাইটে সকালে যেতে হয়, সেদিন কাজের কারণে লেট হয়ে যায়।

সকাল ১০টায় অফিসে এসে তড়িঘড়ি করে আবার ফিল্ডের কথা বলে বের হয়ে যান সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ পারভেজ, তিনি সাংবাদিকদের দেখেও না দেখার ভান ধরে আবার অফিস ত্যাগ করেন।

সকাল ১০.৪৫মিনিটে কার্যালয়ে আসতে দেখা যায়, তরুণ মণ্ডল তাকে সাংবাদিকরা লেট করে আসার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমি ডিসি অফিসের কাজের সাইটে গিয়েছিলাম এই কারণে লেট হয়েছে, তিনিও কাজের সাইটের দোহাই দিয়ে বিলম্বের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন।

​শারীরিক অসুস্থতার কারণে অফিসে অনুপস্থিত থাকা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের অপারেশনের কথা জানান। তবে অধীনস্থদের গণহারে দেরিতে আসার বিষয়ে তিনি কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “এভাবে তো কখনো হয় না, আজ কী হলো বুঝতে পারলাম না।” মশিউর রহমানের বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, “গতকাল অনেক রাত পর্যন্ত কাজ হয়েছিল, তবে আজ কেন লেট হলো তা জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণপূর্ত বিভাগ-২ এর ইলেকট্রিক সাব-ডিভিশন কার্যালয়ের চিত্র আরও ভয়াবহ।

​সকাল ১০.০৫ মিনিট অফিসে আসেন তথাকথিত বড়বাবু নামে পরিচিত হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম। দাপ্তরিক পদ অনুযায়ী যার বাইরের কাজের কোনো প্রয়োজন নেই, তিনিও হাজির হন ১০টার পর। জানতে চাইলে বরাবরের মতো ডিসি অফিসের কাজের কথা বলেন তিনি।

​সকাল ১০:০০ টার পর আসেন কম্পিউটার অপারেটর উজ্জ্বল। দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে চুপ থাকেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি।

​সকাল ৯.৪৫ মিনিট আসা অফিস সহায়কের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান।

​এদিকে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মারুফ হোসেন অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। হিসাবরক্ষক জানান, তার সন্তান অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তবে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন বাচ্চা অসুস্থ ছিল ডাক্তার দেখিয়ে চলে আসছি, অফিসের সময় নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমাদের এভাবে কখনো লেট হয় না। প্রধানমন্ত্রী যেখানে সময়ের নির্দেশনা দিয়েছে সেখানে আমাদেরকে গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে ও নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করতে হবে। তবে অফিস সময়ের বিষয় নিয়ে তাদের সাথে রবিবার বসব।

নিয়মিত সরকারি কর্মঘণ্টা ফাঁকি দিতে ‘ফিল্ড ওয়ার্ক’কে যেন ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন এ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ৯টায় অফিসে উপস্থিত থেকে রেজিস্টারে স্বাক্ষর করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ১০টার পর অফিসে আসা যেন এখানে এক অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কর্মচারীরা ও সঠিক সময়ে আসছেন না, অথচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে কোনো সমস্যা নেই, সেই ভাবেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানান।

স্থানীয়দের সাথে সাংবাদিকরা কথা বলেন স্থানীয়দের প্রশ্ন, যশোর গণপূর্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয় এতো বড় একটা অফিস অথচ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ঢিলেঢালা ভাব আর জবাবদিহিতাহীনতা বজায় থাকবে কতদিন?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

যশোর গণপূর্ত উপ-বিভাগ ২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়ম অফিসে পাওয়া যায় না সঠিক সময়ে মানছেন না সরকারি নিয়ম

Update Time : ০৫:০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

​নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোর গণপূর্ত উপ-বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ সকাল ৯,৩০ মিনিট থেকে শুরু করে সকাল ১০ টায় ও অফিস আসতে দেখা গেছে: মানছেন না সরকারি নিয়ম এ যেন দেখার কেউ নেই।

যেখানে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে কর্মঘণ্টা ও সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখার কড়া নির্দেশনা রয়েছে, সেখানে যশোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয় (গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২)-এ সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে চরম অনিয়ম, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সঠিক সময়ে অফিসে আসেন না, নিজেদের ইচ্ছায় অফিস করছেন।

সপ্তাহের প্রায় প্রতিটি কার্যদিবসেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যালয়ে উপস্থিতি নিয়ে চলছে ইচ্ছেমাফিক খেয়ালখুশি যখন মন চাইছে তখন আসছেন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা।

​সম্প্রতিক জাতীয় সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা পত্রিকার অনুসন্ধানী দল সরজমিনে উক্ত কার্যালয়ে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেরিতে আসার এই ভয়াবহ চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।

সকাল ৯.১০ মিনিট অফিস চত্বরে অনুসন্ধানী টিম প্রবেশ করার পর দেখা মেলে কেবল মাত্র অফিস সহায়ক টিটোর।

অফিস সহায়ক টিটো ছাড়া পুরো অফিস খাঁ খাঁ করছিল এবং কর্মকর্তাদের অফিস রুমে ঝুলছিল তালা,
সকাল ৯.৪৫ মিনিট অফিসে প্রবেশ করেন সহকারী প্রকৌশলী মশিউর রহমান।

দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, যশোর মেডিকেল কলেজে ঢালাইয়ের কাজ চলায় সরাসরি ফিল্ড থেকে আসছেন।

তবে অনুসন্ধানী টিম তাৎক্ষণিক মেডিকেল কলেজে গিয়ে কাজের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজারের সাথে কথা বললে জানা যায়, মশিউর রহমান কিছুক্ষণ আগে আসছেন।

গণমাধ্যমের উপস্থিতি টের পেয়েই তিনি মূলত তড়িঘড়ি করে ছদ্মবেশে বের হয়ে যান এবং পরে গিয়ে বসে থাকেন।

​সকাল ৯.৫৫ মিনিট আসতে দেখা গেছে বড়বাবু’ হিসেবে পরিচিত হিসাবরক্ষক আরিফুর রহমানের। নিয়মিত দেরিতে আসার অভিযোগ থাকলেও তার সংক্ষিপ্ত উত্তর, আমার সাধারণত লেট হয় না, আজ একটু লেট হয়ে গেছে।

সকাল ৯.৫৫ মিনিট প্রবেশ করেন সহকারী প্রকৌশলী বিল্লাল হোসেন। দুটি সাইটের অজুহাত দিলেও আজ কোনো সাইটেই তিনি যাননি বলে স্বীকার করেন, তিনি বলেন আমি প্রতিদিন সঠিক সময়ে অফিসে আসি তবে যদি কোন সাইটে সকালে যেতে হয়, সেদিন কাজের কারণে লেট হয়ে যায়।

সকাল ১০টায় অফিসে এসে তড়িঘড়ি করে আবার ফিল্ডের কথা বলে বের হয়ে যান সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ পারভেজ, তিনি সাংবাদিকদের দেখেও না দেখার ভান ধরে আবার অফিস ত্যাগ করেন।

সকাল ১০.৪৫মিনিটে কার্যালয়ে আসতে দেখা যায়, তরুণ মণ্ডল তাকে সাংবাদিকরা লেট করে আসার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমি ডিসি অফিসের কাজের সাইটে গিয়েছিলাম এই কারণে লেট হয়েছে, তিনিও কাজের সাইটের দোহাই দিয়ে বিলম্বের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন।

​শারীরিক অসুস্থতার কারণে অফিসে অনুপস্থিত থাকা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের অপারেশনের কথা জানান। তবে অধীনস্থদের গণহারে দেরিতে আসার বিষয়ে তিনি কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “এভাবে তো কখনো হয় না, আজ কী হলো বুঝতে পারলাম না।” মশিউর রহমানের বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, “গতকাল অনেক রাত পর্যন্ত কাজ হয়েছিল, তবে আজ কেন লেট হলো তা জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণপূর্ত বিভাগ-২ এর ইলেকট্রিক সাব-ডিভিশন কার্যালয়ের চিত্র আরও ভয়াবহ।

​সকাল ১০.০৫ মিনিট অফিসে আসেন তথাকথিত বড়বাবু নামে পরিচিত হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম। দাপ্তরিক পদ অনুযায়ী যার বাইরের কাজের কোনো প্রয়োজন নেই, তিনিও হাজির হন ১০টার পর। জানতে চাইলে বরাবরের মতো ডিসি অফিসের কাজের কথা বলেন তিনি।

​সকাল ১০:০০ টার পর আসেন কম্পিউটার অপারেটর উজ্জ্বল। দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে চুপ থাকেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি।

​সকাল ৯.৪৫ মিনিট আসা অফিস সহায়কের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান।

​এদিকে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মারুফ হোসেন অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। হিসাবরক্ষক জানান, তার সন্তান অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তবে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি বলেন বাচ্চা অসুস্থ ছিল ডাক্তার দেখিয়ে চলে আসছি, অফিসের সময় নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমাদের এভাবে কখনো লেট হয় না। প্রধানমন্ত্রী যেখানে সময়ের নির্দেশনা দিয়েছে সেখানে আমাদেরকে গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে ও নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করতে হবে। তবে অফিস সময়ের বিষয় নিয়ে তাদের সাথে রবিবার বসব।

নিয়মিত সরকারি কর্মঘণ্টা ফাঁকি দিতে ‘ফিল্ড ওয়ার্ক’কে যেন ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন এ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ৯টায় অফিসে উপস্থিত থেকে রেজিস্টারে স্বাক্ষর করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ১০টার পর অফিসে আসা যেন এখানে এক অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কর্মচারীরা ও সঠিক সময়ে আসছেন না, অথচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে কোনো সমস্যা নেই, সেই ভাবেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানান।

স্থানীয়দের সাথে সাংবাদিকরা কথা বলেন স্থানীয়দের প্রশ্ন, যশোর গণপূর্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয় এতো বড় একটা অফিস অথচ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ঢিলেঢালা ভাব আর জবাবদিহিতাহীনতা বজায় থাকবে কতদিন?