০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রীড়াঙ্গনের নীরব কারিগর: আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকীতে সেলিম রেজার গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

ফাতিমা আক্তার মিম কাঠালিয়া সংবাদদাতা

​বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান, আধুনিক ও তৃণমূল ক্রিকেটের সফল রূপকার, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালিত হচ্ছে। তাঁর এই জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা।

​বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, প্রখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং চারবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র ছিলেন ক্রীড়ানুরাগী আরাফাত রহমান কোকো। এক ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও রাজনীতিতে নিজেকে জড়াননি; বরং ক্রীড়াঙ্গনের আধুনিকায়ন ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজেই উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন।

​দেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা এবং তৃণমূল পর্যায়ে তরুণ প্রতিভা অন্বেষণে তাঁর অবদান অনবদ্য:

​গেম ডেভেলপমেন্টের সুদৃঢ় সূচনা: বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট ও একাডেমি কাঠামোর এক টেকসই ও মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।

​তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ: জাতীয় দলে নতুন ও সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটার তুলে আনার লক্ষ্যে তিনি শক্তিশালী একটি ‘পাইপলাইন’ তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

​আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা বলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত করতে আরাফাত রহমান কোকোর দূরদর্শী চিন্তা, একনিষ্ঠ সাধনা ও অপরিসীম ত্যাগ সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকের এই বিশেষ দিনে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করেন।”

​একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তাঁর কর্মময় ও নিবেদিত জীবন দেশের ক্রীড়া ইতিহাসের পাতায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

ক্রীড়াঙ্গনের নীরব কারিগর: আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকীতে সেলিম রেজার গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

Update Time : ০৫:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 

ফাতিমা আক্তার মিম কাঠালিয়া সংবাদদাতা

​বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান, আধুনিক ও তৃণমূল ক্রিকেটের সফল রূপকার, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালিত হচ্ছে। তাঁর এই জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়নপ্রত্যাশী হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা।

​বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, প্রখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং চারবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র ছিলেন ক্রীড়ানুরাগী আরাফাত রহমান কোকো। এক ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও রাজনীতিতে নিজেকে জড়াননি; বরং ক্রীড়াঙ্গনের আধুনিকায়ন ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজেই উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন।

​দেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা এবং তৃণমূল পর্যায়ে তরুণ প্রতিভা অন্বেষণে তাঁর অবদান অনবদ্য:

​গেম ডেভেলপমেন্টের সুদৃঢ় সূচনা: বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট ও একাডেমি কাঠামোর এক টেকসই ও মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেন।

​তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ: জাতীয় দলে নতুন ও সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটার তুলে আনার লক্ষ্যে তিনি শক্তিশালী একটি ‘পাইপলাইন’ তৈরি করেন, যা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

​আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা বলেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত করতে আরাফাত রহমান কোকোর দূরদর্শী চিন্তা, একনিষ্ঠ সাধনা ও অপরিসীম ত্যাগ সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজকের এই বিশেষ দিনে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করেন।”

​একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তাঁর কর্মময় ও নিবেদিত জীবন দেশের ক্রীড়া ইতিহাসের পাতায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।