০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে স্বপ্নছোঁয়ার উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ

 

মাইনুল ইসলাম রাজু
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলার মধ্যম সোনাউটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) শিক্ষা, মানবসেবা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন এবং সোনাউটা চারের খাল সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, কলমসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব এবং শিক্ষার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকর্মী দিলরুবা আক্তার রজনী। সভাপতিত্ব করেন স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “একজন শিশুর হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া যেমন মানবিক দায়িত্ব, তেমনি একটি গাছ রোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার। সামাজিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের উপদেষ্টা তানজিল সিকদার, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহম্মেদ, সোনাউটা চারের খাল সমাজকল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জনু, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সিহাব, কোষাধ্যক্ষ জহিরুলসহ দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষা সহায়তা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং পরিবেশ সংরক্ষণে তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে এবং শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা বিস্তার ও পরিবেশ রক্ষায় দুই সংগঠনের এ উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে না, বরং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

আমতলীতে স্বপ্নছোঁয়ার উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ

Update Time : ০১:৫৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

 

মাইনুল ইসলাম রাজু
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলার মধ্যম সোনাউটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) শিক্ষা, মানবসেবা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন এবং সোনাউটা চারের খাল সমাজকল্যাণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, কলমসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব এবং শিক্ষার প্রতি আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকর্মী দিলরুবা আক্তার রজনী। সভাপতিত্ব করেন স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “একজন শিশুর হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া যেমন মানবিক দায়িত্ব, তেমনি একটি গাছ রোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার। সামাজিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের উপদেষ্টা তানজিল সিকদার, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহম্মেদ, সোনাউটা চারের খাল সমাজকল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জনু, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সিহাব, কোষাধ্যক্ষ জহিরুলসহ দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষা সহায়তা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং পরিবেশ সংরক্ষণে তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে এবং শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, শিক্ষা বিস্তার ও পরিবেশ রক্ষায় দুই সংগঠনের এ উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে না, বরং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।