০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরকয় (RCOY) নিয়ে বিতর্ক: জুলাই আন্দোলন, পুনর্বাসনের অভিযোগ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (RCOY) আয়োজন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করছেন, আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে অতীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু ব্যক্তি নিজেদের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইও সম্ভব হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, RCOY-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত মাহাবুবুল আলম তামিম ও তার সহযোগীদের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং জুলাই আন্দোলনের সময় তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতা ছিল।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু কথোপকথন ও স্ক্রিনশটের বরাত দিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব স্ক্রিনশটের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তামিম, তার স্ত্রী ফারজানা ফারুক ঝুমু এবং সাবেক কয়েকজন সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে যোগাযোগ ছিল এবং জলবায়ু ও যুববিষয়ক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে একটি নেটওয়ার্ক পরিচালিত হতো। তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি।

অভিযোগকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক যুব ও জলবায়ুবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তবে এই দাবিরও স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল ও আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, যদি এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে, অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

আরকয় (RCOY) নিয়ে বিতর্ক: জুলাই আন্দোলন, পুনর্বাসনের অভিযোগ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

Update Time : ১২:২৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (RCOY) আয়োজন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করছেন, আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে অতীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু ব্যক্তি নিজেদের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাইও সম্ভব হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, RCOY-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত মাহাবুবুল আলম তামিম ও তার সহযোগীদের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং জুলাই আন্দোলনের সময় তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রভাব ও পৃষ্ঠপোষকতা ছিল।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু কথোপকথন ও স্ক্রিনশটের বরাত দিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব স্ক্রিনশটের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তামিম, তার স্ত্রী ফারজানা ফারুক ঝুমু এবং সাবেক কয়েকজন সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে যোগাযোগ ছিল এবং জলবায়ু ও যুববিষয়ক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে একটি নেটওয়ার্ক পরিচালিত হতো। তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি।

অভিযোগকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক যুব ও জলবায়ুবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তোলার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তবে এই দাবিরও স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল ও আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রশাসনের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, যদি এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে, অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।