
মোঃ মাহবুব আলম
বিশেষ প্রতিনিধি|
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আদালতের রায় বাস্তবায়ন, নিজস্ব জমি ও বসতভিটা ফেরত এবং প্রশাসনিক সহযোগিতার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন নাজমা বেগমের পরিবার।
অবস্থান কর্মসূচিতে নাজমা বেগম অভিযোগ করেন, ২০১১ সালে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানার আশ্রাফাবাদ এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি জমি ক্রয় করে তাঁর পরিবার বসবাস শুরু করে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় প্রায় ১০ বছর আগে তাঁদের বসতঘর ভেঙে দেওয়া হয়, আসবাবপত্র লুটপাট করা হয় এবং কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ ছাড়াই উচ্ছেদ করা হয়। পরে ওই জায়গায় শেখ জামাল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয় বলে তাঁর অভিযোগ।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত তাঁদের পক্ষে রায় দিলেও এখন পর্যন্ত জমির দখল বুঝে পাননি। বরং থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে হয়রানি এবং বিভিন্নভাবে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
নাজমা বেগমের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২১ জুলাই তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কার্যালয়ে তাঁকে ডাকা হয়। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। পরে তাঁর সহকারী কাগজপত্র গ্রহণ করেন এবং বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, ২০১৪ সালের দেওয়ানি মোকদ্দমা নং-১১৩/২০১৪ এবং পরবর্তী একটি মামলাসহ সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোতে তাঁদের পক্ষে রায় এসেছে। কিন্তু প্রশাসনিক অসহযোগিতার কারণে সেই রায় বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে নাজমা বেগম প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা/মন্ত্রী এবং পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দৃষ্টি আকর্ষণ করে আদালতের রায় বাস্তবায়ন, তাঁদের জমি ও বসতভিটা ফিরিয়ে দেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট জমিটি ঢাকা জেলার সাবেক লালবাগ, বর্তমান কামরাঙ্গীরচর থানাধীন নবাবচর মৌজায় অবস্থিত এবং এর মালিকানার পক্ষে প্রয়োজনীয় খতিয়ান, দাগ ও আদালতের রায়ের নথি তাঁদের কাছে রয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 



















