০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মদনে প্রতারণা করে মামলা করার পায়ঁতারা চেষ্টা,

মদন-নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোনা মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নে আলমশ্রী গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে সোহরাফ গত ২৩ জুন মদন হাসপাতালে সু- কৌশলে রোগী সাজিয়ে ভর্ত্তি করা হয়।
জানাযায়, তাড়াইল উপজেলার কলূমা খালকে কেন্দ্র করে,প্রতারণা করে আলমশ্রী গ্রামের মৃত মেহের আলী ছেলে নাজিম উদ্দিন গত ২৩ জুন সোহরাফ মিয়ার মাথায় ছিঁড়ে ব্রেড দিয়ে সে আহত করে একই গ্রামের বাচ্চু ও ছালেম উদ্দিন মদন হাসপাতালে এনে চিকিৎসা জন্য ভর্ত্তি করান। মিথ্যা গল্প সাজিয়ে কালাম ও সোহরাফকে জখমী দেখিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার কলূমা গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলেকে প্রধান আসামী করে মদন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
এ বিষয়ে জখমী সোহরাফ ৭ জুলাই মদন থানায় এসে লিখিত ভাবে জবান বন্ধী দেন।তিনি জানান একই গ্রামের ছালেম উদ্দিন ও বাচ্চু মিয়া আমাকে বলেন, তুই যদি মাথা ছিঁড়ে হাসপাতালে না পুতিস তাহলে আমরা মামলা করতে পারব না।তাদের কথায আমি রাজি হয়ে হাসপাতালে ভর্ত্তি হই। মারামারি ঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। বাঁধের বিষয়টি আমি কিছুই জানিনা।
এ ব্যাপারে ছালেম উদ্দিন জানান, সোহরাফ পাতঁলা ছেলে আজ ৭ জুন বিকালে আমরা মিল হয়ে গেছি বলেই ফোন কেটে দেন।

মোঃ মোশাররফ হোসেন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

মদনে প্রতারণা করে মামলা করার পায়ঁতারা চেষ্টা,

Update Time : ০৪:৪৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

মদন-নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোনা মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নে আলমশ্রী গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে সোহরাফ গত ২৩ জুন মদন হাসপাতালে সু- কৌশলে রোগী সাজিয়ে ভর্ত্তি করা হয়।
জানাযায়, তাড়াইল উপজেলার কলূমা খালকে কেন্দ্র করে,প্রতারণা করে আলমশ্রী গ্রামের মৃত মেহের আলী ছেলে নাজিম উদ্দিন গত ২৩ জুন সোহরাফ মিয়ার মাথায় ছিঁড়ে ব্রেড দিয়ে সে আহত করে একই গ্রামের বাচ্চু ও ছালেম উদ্দিন মদন হাসপাতালে এনে চিকিৎসা জন্য ভর্ত্তি করান। মিথ্যা গল্প সাজিয়ে কালাম ও সোহরাফকে জখমী দেখিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার কলূমা গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলেকে প্রধান আসামী করে মদন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
এ বিষয়ে জখমী সোহরাফ ৭ জুলাই মদন থানায় এসে লিখিত ভাবে জবান বন্ধী দেন।তিনি জানান একই গ্রামের ছালেম উদ্দিন ও বাচ্চু মিয়া আমাকে বলেন, তুই যদি মাথা ছিঁড়ে হাসপাতালে না পুতিস তাহলে আমরা মামলা করতে পারব না।তাদের কথায আমি রাজি হয়ে হাসপাতালে ভর্ত্তি হই। মারামারি ঘটনা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। বাঁধের বিষয়টি আমি কিছুই জানিনা।
এ ব্যাপারে ছালেম উদ্দিন জানান, সোহরাফ পাতঁলা ছেলে আজ ৭ জুন বিকালে আমরা মিল হয়ে গেছি বলেই ফোন কেটে দেন।

মোঃ মোশাররফ হোসেন