
সম্প্রতি দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন, বাংলাদেশ সমাচার, ভোরের আলো, দক্ষিণ অঞ্চল, দৈনিক অধিকরণ (অনলাইন), দৈনিক গাউছিয়া, SFARCH BD, দৈনিক সাগরকূল, পরিবর্তন এবং ক্রাইম নিউজ (অনলাইন)-এ গত ২২ জুন ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত “রাজাপুরে চলাচলের রাস্তায় প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।
উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর এবং প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
সংবাদে কয়েকজন ব্যক্তির অভিযোগ ও বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো বৈধ দলিল, আদালতের আদেশ, সরকারি রেকর্ড, ভূমি জরিপ প্রতিবেদন কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত মতামত উপস্থাপন করা হয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক নিষ্পত্তি বা সরকারি তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
আমি, মো. ইব্রাহিম খলিল হাওলাদার, স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত এবং দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জমির সীমানার মধ্যেই প্রাচীর নির্মাণের কাজ করছি। বিষয়টি নিয়ে অপপ্রচার ও হয়রানির আশঙ্কায় আমি নিজেই ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে রাজাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি এবং ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে রাজাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৫৮৫) করি।
উল্লেখ্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর অনুরোধে অতীতে আমি রাস্তার স্বার্থে আমার নিজস্ব জমির একটি অংশ ছেড়ে দিয়েছি। পরবর্তীতেও জনসাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে অতিরিক্ত কিছু জায়গা ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করেছি। এরপরও আমাকে অন্যায়ভাবে দোষারোপ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগগুলো বর্তমানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধপূর্ণ দাবি মাত্র। কোনো আদালত, ভূমি অফিস বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত আমার নির্মিত প্রাচীরকে অবৈধ ঘোষণা করেনি। সুতরাং এক পক্ষের অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সাংবাদিকতার নীতিমালা, বস্তুনিষ্ঠতা ও ন্যায়সঙ্গত সংবাদ পরিবেশনের পরিপন্থী।
এছাড়া সংবাদে আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব খাটানো ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হলেও সেসব অভিযোগের পক্ষে কোনো মামলা, জিডি, সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে এ ধরনের ভিত্তিহীন বক্তব্য আমাদের সামাজিক মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
অতএব, প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট জমির বৈধ কাগজপত্র, ভূমি রেকর্ড, জরিপ মানচিত্র এবং প্রশাসনিক তদন্তের আলোকে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে অসম্পূর্ণ ও একতরফা তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত উক্ত সংবাদের বিষয়ে পাঠক, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট মহলের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
প্রতিবাদকারী
মো. ইব্রাহিম খলিল হাওলাদার
পিতা: মরহুম মো. সবদার আলী হাওলাদার
সাং: পশ্চিম চর বাঘরী, রাজাপুর পৌরসভা
উপজেলা: রাজাপুর, জেলা: ঝালকাঠি।
প্রতিনিধির নাম 


















