০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাঠ থেকে দপ্তরে রুকুনোজ্জামান রোকন: মসিক প্রশাসকের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

 

​মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ:
​মাত্র এক পশলার বৃষ্টিতেই বরাবরের মতো থমকে গেছে ব্রহ্মপুত্র পাড়ের ঐতিহ্যবাহী ও চেনা শহর ময়মনসিংহ। শনিবার রাতের আকস্মিক মাঝারি বর্ষণেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তলিয়ে যায় হাঁটুজলে।পানিবন্দি ময়মনসিংহবাসীর এই ছবি যেন এক চিরচেনা নিয়তির গল্প। তবে এই চেনা দুর্ভোগের মাঝেও এবার নগরবাসী দেখল এক ব্যতিক্রমী, স্বস্তিদায়ক ও অনুপ্রেরণামূলক দৃশ্য—যা দেশের জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের ইতিহাসে দায়িত্বশীলতার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
​গভীর রাতে যখন সাধারণ মানুষ ঘরের ভেতর বন্দি, ঠিক তখনই পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে জলমগ্ন সড়কে নেমে পড়েন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) বর্তমান প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন। শুধু মধ্যরাতের মাঠপর্যায়ের তদারকিই নয়,পরদিন ভোরেই আবার দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ফেরাতে তাঁর আকস্মিক অফিস পরিদর্শন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।
​মধ্যরাতের জলমগ্ন সড়কে ‘ত্রাতা’র ভূমিকা: ​শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ময়মনসিংহে বৃষ্টি শুরু হয়ে তা চলে প্রায় রাত ১২টা পর্যন্ত। বৃষ্টির তোড়ে মুহূর্তেই শহরের বিভিন্ন নিচু এলাকা ও প্রধান সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু বৃষ্টি পুরোপুরি থামার আগেই, চরম বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে রাস্তায় হাজির হন প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন। ​শহরের বিভিন্ন প্লাবিত সড়ক ঘুরে ঘুরে,প্রায় হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে তিনি জলাবদ্ধতার মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু করিয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মাঠপর্যায়ের তদারকি করেন। গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর এই নিরলস কর্মতৎপরতার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা সাধারণ নাগরিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ​স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকদের মূল্যায়ন: “ময়মনসিংহের ইতিহাসে এর আগে কোনো শীর্ষ কর্মকর্তাকে এভাবে মধ্যরাতে ড্রেন পরিষ্কারের তদারকি করতে নিজে রাস্তায় নামতে দেখিনি। সাধারণত বড় কর্তারা কার্যালয়ে বসেই নির্দেশ দেন। কিন্তু বর্তমান প্রশাসক নির্দ্বিধায় নিজে মাঠে নেমে যেভাবে কাজ করছেন, তা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।” ​মাঠের পর এবার ভোরে অফিস তদারকিতেও কঠোর: ​অনুসন্ধানে জানা গেছে,শুধু মাঠপর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাই নয়, সিটি কর্পোরেশনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এই প্রশাসক। ​সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিতকরণ: প্রতিদিন একদম ভোরবেলা তিনি কর্পোরেশনের বিভিন্ন দপ্তরে হাজির হয়ে কর্মকর্তা-
কর্মচারীদের উপস্থিতি পরীক্ষা করছেন। প্রতিটি টেবিলে সঠিক সময়ে দায়িত্ব পালন হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করছেন।​তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান: কর্মকর্তা-
কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত সমস্যা রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন এবং কোনো সংকট থাকলে তা দূর করতে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ​সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন স্পষ্টবাদী মানুষ হিসেবে মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকনের পরিচয় কথায় নয়,বরং তাঁর কর্মেই প্রতিফলিত হচ্ছে। নিজেকে জনগণের একজন ‘সেবক’ মনে করেই তিনি এই দ্বিমুখী তদারকি ব্যবস্থা সচল রেখেছেন –দীর্ঘমেয়াদী সংকটের ‘শতভাগ সমাধানের’ আশ্বাস: ​ময়মনসিংহের এই জলাবদ্ধতার সমস্যাটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অবহেলা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফল। প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন নগরবাসীকে কোনো সস্তা বা মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে বাস্তবতার নিরিখে কথা বলেছেন। তিনি জানান–জলাবদ্ধতার এই ক্রনিক সমস্যা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়, এর জন্য কিছুটা সময় ও সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। ​তবে সমস্যাটি স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য সিটি কর্পোরেশন শতভাগ আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। ​নাগরিকদের ভোগান্তি চিরতরে কমাতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা হবে। ​জাতীয় জনপ্রশাসনে এক অনন্য শিক্ষার বার্তা: ​ময়মনসিংহ সিটি প্রশাসকের এই দ্বিমুখী উদ্যোগ কেবল একটি শহরের ড্রেন পরিষ্কার বা হাজিরা খাতা দেখার গল্প নয়; এটি দেশের সমগ্র সরকারি কর্মকর্তা
-কর্মচারী এবং অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বড় শিক্ষণীয় বার্তা। ​প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন প্রমাণ করেছেন যে-শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে জনগণের ভোগান্তির সময় পাশে দাঁড়ালে এবং কঠোরভাবে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখলে কীভাবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও মন জয় করা যায়। সততা,স্পষ্টবাদিতা আর মাঠপর্যায়ের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিজেই কীভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের আমূল পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন,তিনি তার জীবন্ত উদাহরণ।
​সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যদি ময়মনসিংহের এই কর্মসংস্কৃতি থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জনগণের সেবায় বিলিয়ে দেন,তবে দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার চিত্র দ্রুত বদলে যাবে। একজন নেতার সদিচ্ছা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা যে পুরো টিমকে উজ্জীবিত করতে পারে, মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকনের এই কার্যক্রম তারই অকাট্য প্রমাণ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

মাঠ থেকে দপ্তরে রুকুনোজ্জামান রোকন: মসিক প্রশাসকের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত

Update Time : ০৬:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

 

​মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ:
​মাত্র এক পশলার বৃষ্টিতেই বরাবরের মতো থমকে গেছে ব্রহ্মপুত্র পাড়ের ঐতিহ্যবাহী ও চেনা শহর ময়মনসিংহ। শনিবার রাতের আকস্মিক মাঝারি বর্ষণেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তলিয়ে যায় হাঁটুজলে।পানিবন্দি ময়মনসিংহবাসীর এই ছবি যেন এক চিরচেনা নিয়তির গল্প। তবে এই চেনা দুর্ভোগের মাঝেও এবার নগরবাসী দেখল এক ব্যতিক্রমী, স্বস্তিদায়ক ও অনুপ্রেরণামূলক দৃশ্য—যা দেশের জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের ইতিহাসে দায়িত্বশীলতার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
​গভীর রাতে যখন সাধারণ মানুষ ঘরের ভেতর বন্দি, ঠিক তখনই পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে জলমগ্ন সড়কে নেমে পড়েন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) বর্তমান প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন। শুধু মধ্যরাতের মাঠপর্যায়ের তদারকিই নয়,পরদিন ভোরেই আবার দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ফেরাতে তাঁর আকস্মিক অফিস পরিদর্শন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।
​মধ্যরাতের জলমগ্ন সড়কে ‘ত্রাতা’র ভূমিকা: ​শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ময়মনসিংহে বৃষ্টি শুরু হয়ে তা চলে প্রায় রাত ১২টা পর্যন্ত। বৃষ্টির তোড়ে মুহূর্তেই শহরের বিভিন্ন নিচু এলাকা ও প্রধান সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়ে। কিন্তু বৃষ্টি পুরোপুরি থামার আগেই, চরম বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে রাস্তায় হাজির হন প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন। ​শহরের বিভিন্ন প্লাবিত সড়ক ঘুরে ঘুরে,প্রায় হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে তিনি জলাবদ্ধতার মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু করিয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মাঠপর্যায়ের তদারকি করেন। গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর এই নিরলস কর্মতৎপরতার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা সাধারণ নাগরিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ​স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকদের মূল্যায়ন: “ময়মনসিংহের ইতিহাসে এর আগে কোনো শীর্ষ কর্মকর্তাকে এভাবে মধ্যরাতে ড্রেন পরিষ্কারের তদারকি করতে নিজে রাস্তায় নামতে দেখিনি। সাধারণত বড় কর্তারা কার্যালয়ে বসেই নির্দেশ দেন। কিন্তু বর্তমান প্রশাসক নির্দ্বিধায় নিজে মাঠে নেমে যেভাবে কাজ করছেন, তা সত্যি প্রশংসার দাবিদার।” ​মাঠের পর এবার ভোরে অফিস তদারকিতেও কঠোর: ​অনুসন্ধানে জানা গেছে,শুধু মাঠপর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাই নয়, সিটি কর্পোরেশনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এই প্রশাসক। ​সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিতকরণ: প্রতিদিন একদম ভোরবেলা তিনি কর্পোরেশনের বিভিন্ন দপ্তরে হাজির হয়ে কর্মকর্তা-
কর্মচারীদের উপস্থিতি পরীক্ষা করছেন। প্রতিটি টেবিলে সঠিক সময়ে দায়িত্ব পালন হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করছেন।​তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান: কর্মকর্তা-
কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত সমস্যা রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন এবং কোনো সংকট থাকলে তা দূর করতে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ​সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন স্পষ্টবাদী মানুষ হিসেবে মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকনের পরিচয় কথায় নয়,বরং তাঁর কর্মেই প্রতিফলিত হচ্ছে। নিজেকে জনগণের একজন ‘সেবক’ মনে করেই তিনি এই দ্বিমুখী তদারকি ব্যবস্থা সচল রেখেছেন –দীর্ঘমেয়াদী সংকটের ‘শতভাগ সমাধানের’ আশ্বাস: ​ময়মনসিংহের এই জলাবদ্ধতার সমস্যাটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অবহেলা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফল। প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন নগরবাসীকে কোনো সস্তা বা মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে বাস্তবতার নিরিখে কথা বলেছেন। তিনি জানান–জলাবদ্ধতার এই ক্রনিক সমস্যা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়, এর জন্য কিছুটা সময় ও সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। ​তবে সমস্যাটি স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য সিটি কর্পোরেশন শতভাগ আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। ​নাগরিকদের ভোগান্তি চিরতরে কমাতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা হবে। ​জাতীয় জনপ্রশাসনে এক অনন্য শিক্ষার বার্তা: ​ময়মনসিংহ সিটি প্রশাসকের এই দ্বিমুখী উদ্যোগ কেবল একটি শহরের ড্রেন পরিষ্কার বা হাজিরা খাতা দেখার গল্প নয়; এটি দেশের সমগ্র সরকারি কর্মকর্তা
-কর্মচারী এবং অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বড় শিক্ষণীয় বার্তা। ​প্রশাসক মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকন প্রমাণ করেছেন যে-শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে জনগণের ভোগান্তির সময় পাশে দাঁড়ালে এবং কঠোরভাবে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখলে কীভাবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও মন জয় করা যায়। সততা,স্পষ্টবাদিতা আর মাঠপর্যায়ের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিজেই কীভাবে একটি প্রতিষ্ঠানের আমূল পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে উঠতে পারেন,তিনি তার জীবন্ত উদাহরণ।
​সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যদি ময়মনসিংহের এই কর্মসংস্কৃতি থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জনগণের সেবায় বিলিয়ে দেন,তবে দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার চিত্র দ্রুত বদলে যাবে। একজন নেতার সদিচ্ছা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা যে পুরো টিমকে উজ্জীবিত করতে পারে, মোঃ রুকুনোজ্জামান রোকনের এই কার্যক্রম তারই অকাট্য প্রমাণ।