০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক, সাহিত্যিক ও গবেষক ,কবি, এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল হামিদ সরকার –

 

কবি,গবেষক, শিক্ষক, প্রকৃতিপ্রেমী,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ আব্দুল হামিদ সরকারের জন্ম সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় দেলুয়া গ্রামে, ১৯৭৩ সালের ১ ডিসেম্বর। পিতাঃ মৃত আফতাব উদ্দিন সরকার (স্কুল শিক্ষক) ও মাতাঃ মৃত মোছাঃ হামিদা খাতুন ( শিক্ষাবান্ধব – সু- গৃহিণী) ।

নব্বইয়ের দশকে এই কবির জন্মস্থান দেলুয়া গ্রাম রাক্ষসী যমুনার গর্ভে বিলীন হবার পর বেলকুচি সিরাজগঞ্জের সেনভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। কবি আব্দুল হামিদ সরকার বেলকুচি উপজেলাধীন নারী শিক্ষা উন্নয়নের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত। তিনি ত্রি়ভুজ প্রেমের কবি। অর্থাৎ কবি আব্দুল হামিদ সরকার স্রষ্টাপ্রেম,মানবপ্রেম ও দেশপ্রেমে আসক্ত। তাই তার কবিতা উপন্যাসে প্রেম- প্রকৃতি, ফুল – পাখি, মুক্তিযুদ্ধ ও শিশুতোষ লেখা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সাহিত্যচর্চায় তিনি নিমগ্ন সেই আশির দশক থেকেই। তিনি সমানতালে কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস লিখে চলেছেন। সেদিক থেকে তিনি সব্যসাচী লেখকও বটে।

তিনি ত্রি়ভুজ প্রেমের কবি ও ঔপন্যাসিক হিসেবে সুপরিচিত। তিনি মনে করেন তার শারীরিক বয়স পঞ্চাশ ছুঁয়ে গেলেও তার মনের বয়স মাত্র কুড়ি বছর।
তারুণ্য যেহেতু প্রেম চায় সেহেতু তিনি টক- ঝাল- মিষ্টি প্রেমের উপন্যাস বেশি লেখেন। তিনি তার প্রতিটি উপন্যাস ও কাব্যে অপবিত্র প্রেমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন। কবি আব্দুল হামিদ সরকার ধ্বংস নয়, সৃষ্টি চায়, যুদ্ধ নয়, শান্তি চায়। তার দুচোখে শুধুই স্বপ্নের আল্পনা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে চান।

শিশুর হাসি ও বাংলার রাখালিয়ার বাঁশি তাকে মুগ্ধ করে। তিনি ব্যথিত হন নিরন্ন শিশুর কান্না দেখে। কবি আব্দুল হামিদ সরকার শিক্ষা ও সাহিত্য অঙ্গনে অবদান রেখে চলেছেন। শান্ত,ধীর স্থির,নিরহংকার কবি আব্দুল হামিদ সরকার তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে পাঠক সমাজে আলোড়িত হচ্ছেন। তিনি সমাজে অসত্য, অসুন্দর ও অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড়তোলা এই কবি অত্যন্ত সাধারণভাবে জীবন – যাপন করছেন । কবি আব্দুল হামিদ সরকার বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো — প্রেমের সুনামি, ভালোবাসার রঙধনু, দূর আকাশের নীহারিকা, রক্তকাজল, লুৎফা, অস্তমিত সূর্য, ও কিশোর ছড়া কাব্য – মধ্য রাতের হাসি।

তার আরো অনেক কাব্য উপন্যাস প্রকাশের পথে।
তিনি একাধারে কবি প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক। তিনি সদা হাস্যউজ্জ্বল এক সাদা মনের মানুষ হিসেবে লোকালয় জনপদে ” কবি স্যার ” নামে সুপরিচিত। ব্যক্তি জীবনে তিনি চার সন্তানের জনক ও সংসার ধর্মে ডুবে থাকা এক খোদাভীরু মানুষ। সৃষ্টি তার একমাত্র সাধনা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ মতিহার ক্যাম্পাসে বসে অধিকাংশ কাব্য উপন্যাস রচনা করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

শিক্ষক, সাহিত্যিক ও গবেষক ,কবি, এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল হামিদ সরকার –

Update Time : ০২:১০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

কবি,গবেষক, শিক্ষক, প্রকৃতিপ্রেমী,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ আব্দুল হামিদ সরকারের জন্ম সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় দেলুয়া গ্রামে, ১৯৭৩ সালের ১ ডিসেম্বর। পিতাঃ মৃত আফতাব উদ্দিন সরকার (স্কুল শিক্ষক) ও মাতাঃ মৃত মোছাঃ হামিদা খাতুন ( শিক্ষাবান্ধব – সু- গৃহিণী) ।

নব্বইয়ের দশকে এই কবির জন্মস্থান দেলুয়া গ্রাম রাক্ষসী যমুনার গর্ভে বিলীন হবার পর বেলকুচি সিরাজগঞ্জের সেনভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। কবি আব্দুল হামিদ সরকার বেলকুচি উপজেলাধীন নারী শিক্ষা উন্নয়নের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত। তিনি ত্রি়ভুজ প্রেমের কবি। অর্থাৎ কবি আব্দুল হামিদ সরকার স্রষ্টাপ্রেম,মানবপ্রেম ও দেশপ্রেমে আসক্ত। তাই তার কবিতা উপন্যাসে প্রেম- প্রকৃতি, ফুল – পাখি, মুক্তিযুদ্ধ ও শিশুতোষ লেখা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সাহিত্যচর্চায় তিনি নিমগ্ন সেই আশির দশক থেকেই। তিনি সমানতালে কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস লিখে চলেছেন। সেদিক থেকে তিনি সব্যসাচী লেখকও বটে।

তিনি ত্রি়ভুজ প্রেমের কবি ও ঔপন্যাসিক হিসেবে সুপরিচিত। তিনি মনে করেন তার শারীরিক বয়স পঞ্চাশ ছুঁয়ে গেলেও তার মনের বয়স মাত্র কুড়ি বছর।
তারুণ্য যেহেতু প্রেম চায় সেহেতু তিনি টক- ঝাল- মিষ্টি প্রেমের উপন্যাস বেশি লেখেন। তিনি তার প্রতিটি উপন্যাস ও কাব্যে অপবিত্র প্রেমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন। কবি আব্দুল হামিদ সরকার ধ্বংস নয়, সৃষ্টি চায়, যুদ্ধ নয়, শান্তি চায়। তার দুচোখে শুধুই স্বপ্নের আল্পনা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে চান।

শিশুর হাসি ও বাংলার রাখালিয়ার বাঁশি তাকে মুগ্ধ করে। তিনি ব্যথিত হন নিরন্ন শিশুর কান্না দেখে। কবি আব্দুল হামিদ সরকার শিক্ষা ও সাহিত্য অঙ্গনে অবদান রেখে চলেছেন। শান্ত,ধীর স্থির,নিরহংকার কবি আব্দুল হামিদ সরকার তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে পাঠক সমাজে আলোড়িত হচ্ছেন। তিনি সমাজে অসত্য, অসুন্দর ও অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড়তোলা এই কবি অত্যন্ত সাধারণভাবে জীবন – যাপন করছেন । কবি আব্দুল হামিদ সরকার বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হলো — প্রেমের সুনামি, ভালোবাসার রঙধনু, দূর আকাশের নীহারিকা, রক্তকাজল, লুৎফা, অস্তমিত সূর্য, ও কিশোর ছড়া কাব্য – মধ্য রাতের হাসি।

তার আরো অনেক কাব্য উপন্যাস প্রকাশের পথে।
তিনি একাধারে কবি প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক। তিনি সদা হাস্যউজ্জ্বল এক সাদা মনের মানুষ হিসেবে লোকালয় জনপদে ” কবি স্যার ” নামে সুপরিচিত। ব্যক্তি জীবনে তিনি চার সন্তানের জনক ও সংসার ধর্মে ডুবে থাকা এক খোদাভীরু মানুষ। সৃষ্টি তার একমাত্র সাধনা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ মতিহার ক্যাম্পাসে বসে অধিকাংশ কাব্য উপন্যাস রচনা করেছেন।