
মোঃ সবুজ ভোলা জেলা প্রতিনিধি।
ভোলা সদর উপজেধীন প্রস্তাবিত কাচিয়া মাঝের চর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর ভেদুরিয়া আব্দুর রশিদ বেপারী বাড়ি জামে মসজিদের দান কৃত জমির মাপ, বন্টন ও সীমানা নির্ধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
ভোলা সদর উপজেলাধীন প্রস্তাবিত কাচিয়া মাঝের চর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন টি নদী ভাঙ্গনে ফলে বিলীন হয়ে যাওয়ায় একই উপজেলাধীন ভেদুরিয়া ইউনিয়নের বিদ্যালয় বিহীন দুর্গম এলাকায় চরভেদুরিয়া মৌজায় জে এল নং৫৬ এর প্রস্তাবিত বিদ্যালয়ের নামে দান কৃত ৩০ শতাংশ জমি এবং চর ভেদুরিয়া আব্দুর রশিদ বেপারী বাড়ি জামে মসজিদের দান কৃত ৩৪ শতাংশ জমি মাপ, বন্টন ও সীমানা নির্ধারণ গত ৪ঠা জুন ২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। সার্ভেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলতাফ হোসেন ডাক্তার ও মোঃ রাজিব। বিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ সবুজ এবং মসজিদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন চৌকিদার, সেক্রেটারি মোঃ তাজুল চৌকিদার, ক্যাশিয়ার মোঃ আজাদ ব্যাপারী, সদস্য মোঃ মাইদুল ইসলাম এবং উক্ত চর ভেদুরিয়া মৌজার সকল জমির মালিক ও তাদের প্রতিনিধি তারা হলেন ,আলতাফ হোসেন ডাক্তার
, আব্দুল মোতালেব চৌকিদার,ছলেমান ছুকানী, মোঃ সিরাজ, মোঃ বেলায়েত সিকদার,সিদ্দিক/ইসমাইল চৌকিদার, মোঃ ইউনুছ, আব্দুর রশিদ, মোঃ মোজাম্মেল মাতাব্বর এবং আরো চর এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয়ের জমি দাতা মোঃ ইউনুছ ৩০ শতাংশ, মসজিদের জমি দাতাগণ হলেন, মোতালেব চৌকিদার ৪ শতাংশ, আলতাফ হোসেন ডাক্তার ৪ শতাংশ, সিরাজ ৮ শতাংশ, মোঃ সিদ্দিক চৌকিদার ১০ শতাংশ, মোঃ শরিফ পাটাওয়ারী ৮ শতাংশ মসজিদের মোট জমি ৩৪ শতাংশ।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয় ও মসজিদের মোট জমি ৬৪ শতাংশ যা দৈর্ঘ্য ২২১ ফুট এবং প্রস্ত ১২৬ ফুট। উক্ত জমি মোঃ ইউনুছ দাগে ৬০ফুট , সিদ্দিক/ ইসমাইল ৩০ ফুট বেলায়েত সিকদার/রানী ৩৬ ফুট মোট ১২৬ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট হবে।উক্ত সকল জমি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করা হবে মর্মে সকলে ঐক্যমত পোষণ করেন।
প্রস্তাবিত বিদ্যালয় টি স্থাপনের ফলে অত্র নদী বেষ্টিত চরের মানুষের মধ্যে ব্যপক উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। তাদের আশা দীর্ঘ যছর যাবৎ তাদের শিশুরা নূন্যতম প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়া থেকে মুক্তি পাবে। উক্ত চরের বাসিন্দা মোঃ মাইদুল চৌকিদার জানান,অত্র চরের পূর্ব দিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দূরুত্ব ২.৫ কিলোমিটার, পশ্চিম দিকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে গুচ্ছগ্ৰামের কাছে শ্রীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় দক্ষিণ দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয় দূরুত্ব প্রায় ৩ কিলোমিটার এবং উত্তর দিকে ফেরিঘাট থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার মধ্যে কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। তাই এই চরের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীরা স্কুলে পড়তে পারে না। তাই এই চরে একটা স্কুল হওয়া খুবই দরকার।
প্রধান শিক্ষক মোঃ সবুজ জানান গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জনাব অসীম প্রসাদ বিশ্বাস এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মোসলেউদ্দিন প্রস্তাবিত বিদ্যালয়ের জমির স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং তিনি আস্বস্ত করেন যাতে দ্রুত প্রস্তাবিত প্রাথমিক বিদ্যালয় টি কাজ শুরুর মাধ্যমে মূল ভুখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলের অবহেলিত হতদরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারের শিশুদের অগ্ৰাধিকার ভিত্তিতে পাঠদান করা যায় তার জন্য তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। প্রধান শিক্ষক আরো জানান আগামী সপ্তাহে বিদ্যালয়ের নামে দান কৃত জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে ৫ শ্রেনী কক্ষ ১ টি শিক্ষক কক্ষ, একটি গভীর নলকূপ,ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও খেলাধুলা জন্য মাঠের ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ।
মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জানান বর্তমান সরকার ও ডিসি মহোদয় আমাদের চরের মানুষের উন্নয়নে যেভাবে এগিয়ে আসেছেন তাতে আমরা খুবই খুশি এবং আনন্দিত।
প্রতিনিধির নাম 



















