০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীতে মসজিদ পুনর্নির্মাণে সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমানের ৫ লাখ টাকার অনুদান

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা এলাকার নির্মাণাধীন বায়তুল করিম জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন সৌদি আরব প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব মিজানুর রহমান। তিনি মসজিদের উন্নয়ন ও ধর্মীয় কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে ৫ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন।
শুক্রবার (২৯ মে ২০২৬) জুমার নামাজের পর পূর্ব বড়ঘোনা বায়তুল করিম জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। আলহাজ্ব মিজানুর রহমান স্থানীয় সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক সংগঠন “রহমান পরিবার এ.এ. ফাউন্ডেশন”-এর সদস্য সচিব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
চেক গ্রহণ অনুষ্ঠানে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা নুরুল হুদা, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা, ব্যাংকার এম. শওকাতুল ইসলাম আযাদসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এম. শওকাতুল ইসলাম আযাদ বলেন, “ইসলামের মহান আদর্শ ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য একটি সুন্দর ও আধুনিক উপাসনালয় গড়ে তুলতে আলহাজ্ব মিজানুর রহমান ৫ লাখ টাকার এককালীন অনুদান প্রদান করেছেন। এটি শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, বরং সমাজের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা ও ধর্মীয় অনুরাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
তিনি আরও বলেন, “প্রবাসে অবস্থান করেও মিজানুর রহমান এলাকার মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই মহতী উদ্যোগ অন্যদেরও সমাজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।”
স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী মিজানুর রহমানের এই উদার অনুদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে দানশীলতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও উন্নয়নে সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসার এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আলহাজ্ব মিজানুর রহমানের এই অবদান শুধু একটি মসজিদের নির্মাণকাজকে এগিয়ে নেবে না, বরং সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের বার্তাও ছড়িয়ে দেবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

বাঁশখালীতে মসজিদ পুনর্নির্মাণে সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমানের ৫ লাখ টাকার অনুদান

Update Time : ০৭:০০:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা এলাকার নির্মাণাধীন বায়তুল করিম জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন সৌদি আরব প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব মিজানুর রহমান। তিনি মসজিদের উন্নয়ন ও ধর্মীয় কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে ৫ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন।
শুক্রবার (২৯ মে ২০২৬) জুমার নামাজের পর পূর্ব বড়ঘোনা বায়তুল করিম জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। আলহাজ্ব মিজানুর রহমান স্থানীয় সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক সংগঠন “রহমান পরিবার এ.এ. ফাউন্ডেশন”-এর সদস্য সচিব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনহিতকর কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
চেক গ্রহণ অনুষ্ঠানে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা নুরুল হুদা, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা, ব্যাংকার এম. শওকাতুল ইসলাম আযাদসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এম. শওকাতুল ইসলাম আযাদ বলেন, “ইসলামের মহান আদর্শ ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার পাশাপাশি স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য একটি সুন্দর ও আধুনিক উপাসনালয় গড়ে তুলতে আলহাজ্ব মিজানুর রহমান ৫ লাখ টাকার এককালীন অনুদান প্রদান করেছেন। এটি শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, বরং সমাজের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা ও ধর্মীয় অনুরাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
তিনি আরও বলেন, “প্রবাসে অবস্থান করেও মিজানুর রহমান এলাকার মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই মহতী উদ্যোগ অন্যদেরও সমাজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।”
স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী মিজানুর রহমানের এই উদার অনুদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে দানশীলতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও উন্নয়নে সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসার এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আলহাজ্ব মিজানুর রহমানের এই অবদান শুধু একটি মসজিদের নির্মাণকাজকে এগিয়ে নেবে না, বরং সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের বার্তাও ছড়িয়ে দেবে।