০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটের রামপালে মাহেন্দ্র গাড়ি ডাকাতি ড্রাইভার কে মেরে আহত

বাগেরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের রামপালে মৃতঃ জাফর শেখের ছেলে আবু বক্কার শেখ দীর্ঘদিন যাবত মহেন্দ্র গাড়ি ভাড়ায় চালাই আবুবক্কার শেখ প্রতিদিনের মতোই ফয়লা স্টান থেকে লোক নিয়ে রীতিমতো রওনা দেয় দিগরাজের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা আবুবক্কারের মহেন্দ্র পিছু পিছু যায় হঠাৎ করে রামপালের গুনাই ব্রিজ নামক জায়গায় গেলে চতুরপাশ দিয়ে ৬ থেকে ৮ টি মহেন্দ্র গাড়ি এসে আবুবক্কারের মহেন্দ্র টি আটকে দেয় ডাকাতরা গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় ভয়ে যাত্রীরা গাড়ি থেকে দৌড়ে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে যায়।
ডাকাতের দলেরা আবু বক্করকে এলোপাথাড়িভাবে লাঠি রড সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এক পর্যায়ে আবু বক্কর দুর্বল হয়ে পড়ে তখন ডাকাতরা আবুবক্কারের মহেন্দ্র টি সরিয়ে ফেলে এবং আবু বকরকে তাদের মাহেন্দ্রয়ে উঠিয়ে নিয়ে গোপন পথ দিয়ে রামপাল মডেল মসজিদের পাশে একটি বাগানের ভিতর নিয়ে যায় আবু বকরের কাছে থাকা মানিব্যাগে আনুমানিক ১১ হাজার টাকা ও একটি স্বর্ণের আংটি দুর্বৃত্তরা ছিনিয়ে নেয় তারপর চোখ বেঁধে আবারো মারপিট শুরু করে একপর্যায়ে আবু বক্কার নিস্তেজ হয়ে যায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায় পরবর্তীতে স্থানীয় কিছু লোকজনের সাহায্য আবু বকরকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় আবুবক্কারের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে আবুবক্কারের বর্তমান অবস্থা খুবই আশংকা জনক তার মাথায় প্রচুর আঘাত লাগে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাঠি এবং রড দিয়ে আঘাত করা হয় বর্তমান আবুবক্কারের অবস্থা খুবই খারাপ ইতিমধ্যে আবুবক্কার এর পক্ষে তার বোনজামাই শেখ আরজুল হক পলাশ রামপাল থানায় একটি অভিযোগ করে। অভিযোগকারী ডাকাতরা হলেন।
টুকু, পিতা- অজ্ঞাত, সাং- রামপাল (খামখেয়ালির মোড়), ২। মোস্তাক, পিতা- অজ্ঞাত, ৩। মোঃ বাবু, পিতা- অজ্ঞাত, ৪। রাফি, পিতা-টুকু, ৫। রাকিব, পিতা- অজ্ঞাত, ৬। জুয়েল, পিতা- অজ্ঞাত, সর্ব সাং- রামপাল, (সকলে মহেন্দ্র গাড়ীর ড্রইভার), ৭। মনি, (ফয়লা বাস ষ্টান্ডের এ্যস্টেটার), পিতা- মোসলেম, সাং- রনসেন, থানা- রামপাল, জেলা- বাগেরহাট সহ আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
এই ঘটনায় আবুবক্কার এর পরিবারসহ এলাকাবাসী ডাকাতদের কঠিন শাস্তি দাবী করে প্রশাসনের নিকট
এবং অতি দ্রুত আবুবক্কারের ডাকাতি হয়ে যাওয়া মহেন্দ্র গাড়িটি সহ ১১ হাজার টাকা ও স্বর্ণের আংটি যেন প্রশাসনের সহযোগিতার মাধ্যমে ফিরে আনতে পারে সেই দাবি করেছেন এলাকাবাসীসহ আবু বক্করের পরিবার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

বাগেরহাটের রামপালে মাহেন্দ্র গাড়ি ডাকাতি ড্রাইভার কে মেরে আহত

Update Time : ০৬:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

বাগেরহাট প্রতিনিধি।

বাগেরহাটের রামপালে মৃতঃ জাফর শেখের ছেলে আবু বক্কার শেখ দীর্ঘদিন যাবত মহেন্দ্র গাড়ি ভাড়ায় চালাই আবুবক্কার শেখ প্রতিদিনের মতোই ফয়লা স্টান থেকে লোক নিয়ে রীতিমতো রওনা দেয় দিগরাজের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা আবুবক্কারের মহেন্দ্র পিছু পিছু যায় হঠাৎ করে রামপালের গুনাই ব্রিজ নামক জায়গায় গেলে চতুরপাশ দিয়ে ৬ থেকে ৮ টি মহেন্দ্র গাড়ি এসে আবুবক্কারের মহেন্দ্র টি আটকে দেয় ডাকাতরা গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় ভয়ে যাত্রীরা গাড়ি থেকে দৌড়ে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে যায়।
ডাকাতের দলেরা আবু বক্করকে এলোপাথাড়িভাবে লাঠি রড সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এক পর্যায়ে আবু বক্কর দুর্বল হয়ে পড়ে তখন ডাকাতরা আবুবক্কারের মহেন্দ্র টি সরিয়ে ফেলে এবং আবু বকরকে তাদের মাহেন্দ্রয়ে উঠিয়ে নিয়ে গোপন পথ দিয়ে রামপাল মডেল মসজিদের পাশে একটি বাগানের ভিতর নিয়ে যায় আবু বকরের কাছে থাকা মানিব্যাগে আনুমানিক ১১ হাজার টাকা ও একটি স্বর্ণের আংটি দুর্বৃত্তরা ছিনিয়ে নেয় তারপর চোখ বেঁধে আবারো মারপিট শুরু করে একপর্যায়ে আবু বক্কার নিস্তেজ হয়ে যায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায় পরবর্তীতে স্থানীয় কিছু লোকজনের সাহায্য আবু বকরকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় আবুবক্কারের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে আবুবক্কারের বর্তমান অবস্থা খুবই আশংকা জনক তার মাথায় প্রচুর আঘাত লাগে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাঠি এবং রড দিয়ে আঘাত করা হয় বর্তমান আবুবক্কারের অবস্থা খুবই খারাপ ইতিমধ্যে আবুবক্কার এর পক্ষে তার বোনজামাই শেখ আরজুল হক পলাশ রামপাল থানায় একটি অভিযোগ করে। অভিযোগকারী ডাকাতরা হলেন।
টুকু, পিতা- অজ্ঞাত, সাং- রামপাল (খামখেয়ালির মোড়), ২। মোস্তাক, পিতা- অজ্ঞাত, ৩। মোঃ বাবু, পিতা- অজ্ঞাত, ৪। রাফি, পিতা-টুকু, ৫। রাকিব, পিতা- অজ্ঞাত, ৬। জুয়েল, পিতা- অজ্ঞাত, সর্ব সাং- রামপাল, (সকলে মহেন্দ্র গাড়ীর ড্রইভার), ৭। মনি, (ফয়লা বাস ষ্টান্ডের এ্যস্টেটার), পিতা- মোসলেম, সাং- রনসেন, থানা- রামপাল, জেলা- বাগেরহাট সহ আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
এই ঘটনায় আবুবক্কার এর পরিবারসহ এলাকাবাসী ডাকাতদের কঠিন শাস্তি দাবী করে প্রশাসনের নিকট
এবং অতি দ্রুত আবুবক্কারের ডাকাতি হয়ে যাওয়া মহেন্দ্র গাড়িটি সহ ১১ হাজার টাকা ও স্বর্ণের আংটি যেন প্রশাসনের সহযোগিতার মাধ্যমে ফিরে আনতে পারে সেই দাবি করেছেন এলাকাবাসীসহ আবু বক্করের পরিবার।