১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এর চারপাশ জুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দর্শনার্থীরা

পবিত্র ঈদুল আযহা সন্নিকটে। আর এই সময়কে ঘিরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক ও দর্শনার্থীর আগমনের সম্ভাবনা থাকলেও, গতকালকের ভারী বৃষ্টিতে বিশ্ব ঐতিহ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থানের চারপাশে পানি জমে বেহাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জমে থাকা পানির কারণে দর্শনার্থীদের চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই কাদা ও পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তবে সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঐতিহাসিক এই প্রত্নস্থাপনাটিকে দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উপযোগী করে তোলার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এর চারপাশ জুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দর্শনার্থীরা

Update Time : ০৬:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আযহা সন্নিকটে। আর এই সময়কে ঘিরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক ও দর্শনার্থীর আগমনের সম্ভাবনা থাকলেও, গতকালকের ভারী বৃষ্টিতে বিশ্ব ঐতিহ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থানের চারপাশে পানি জমে বেহাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জমে থাকা পানির কারণে দর্শনার্থীদের চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই কাদা ও পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এখানে কার্যকর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তবে সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঐতিহাসিক এই প্রত্নস্থাপনাটিকে দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উপযোগী করে তোলার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল।