০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিতাসে আলোচিত লতিফ হত্যায় জড়িত একজন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় চঞ্চল্যকর আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া(৪৫) হত্যায় জড়িত একজনকে আটক করে তিতাস থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

বুধবার সকালে তাকে মানিককান্দি গ্রাম থেকে আটক করা হয়। আটকৃত ব্যক্তি মো. রাজিব (২০) সে মানিককান্দি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিতাস থানার ওসি মো. মমিরুল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লতিফ হত্যাকাণ্ডের সময় রাজিব সরাসরি জড়িত ছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের নাম পাওয়া যাবে বলে নিহত লতিফের স্বজনদের দাবি।

ওসি মমিরুল হক বলেন, মানিককান্দি গ্রামে লতিফ হত্যাকে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রেখেছি। নিহতের স্বজনরা রাজিব নামের একজনকে আটক করে মারধর করে ডিউটিরত পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছেন।

প্রসঙ্গত মানিকান্দি গ্রামের মৃত ধনু ভূঁইয়ার ছেলে আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে (৪৫) সোমবার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পর লতিফ মারা যায়। ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা ছেলে যুবলীগ নেতা জহির মোল্লা (৩০) হত্যা মামলার আসামি ছিলেন আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া।

আলোচিত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া হত্যা কান্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের দুই বারের চেয়ারম্যান সন্ত্রাস আবুল হোসেন মোল্লার সন্ত্রাসী
গ্রুপের সবাই, যা আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া মৃত্যু ঘোষণা দিয়ে গেছে,

হত্যা কান্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত খুনিদের নামের একাংশ —-

মোহাম্মদ আলী মোল্লা,
রিয়াজুল মোল্লা,
বাদল মোল্লা,
পিতাঃ আবুল হোসেন মোল্লা

মোঃ মনির হোসেন মোল্লা
আবুল হোসেন মোল্লা,
পিতাঃ কফিলউদ্দিন মোল্লা

জাহাঙ্গীর মোল্লা,
পিতাঃ মৃতঃ ফজলু মোল্লা

ফাহিম মোল্লা,
পিতাঃ আবুল কালাম মোল্লা,

নুর নবি ভূঁইয়া,
হোসেন ভূঁইয়া,
পিতাঃ আশ্রাফ উদ্দিন ভূঁইয়া

ইসহাক ভূঁইয়া,
পিতাঃ মোঃ মজিবুর রহমান

জীবন আহমেদ নাজির উডা,
পিতাঃ মোবারক উডা,

মাহমুদ পাপ্পু মোল্লা,
পিতাঃ মনির মোল্লা

মোহাম্মদ আলী উডা,
দেলোয়ার উডা,
পিতাঃ শাহজাহান উডা,

মোঃ মজিবুর রহমান
মোঃ আশ্রাফ উদ্দিন ভূঁইয়া
পিতাঃ ইসমাইল ভূঁইয়া,

গ্রামঃ মানিক কান্দি,
পোস্টঃ ইসলামাবাদ,
ইউনিয়নঃ ০৬ নং ভিটিকান্দি ইউনিয়ন, ০৬ নং ওয়ার্ড
উপজেলাঃ তিতাস,
জেলাঃ কুমিল্লা।

মোট ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে তিতাস থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদীঃ সাইফুল ইসলাম (সাবেক মেম্বার)।

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান সন্ত্রাস আবুল হোসেন মোল্লা,
আওয়ামী নেতা সন্ত্রাস বাদল মোল্লা এবং পুলিশ জসিমের পরিকল্পনায় সন্ত্রাসী বাহিনীর সবাই পরিকল্পিত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়াকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করছে।

উল্লেখ যে, সন্ত্রাস জহির সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সাইফুল মেম্বারের মৎস্য প্রকল্প (প্রজেক্ট) জবরদখল করতে চেয়ে ৯ গ্রামের জনগণের গণধোলাইয়ে নিহত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

তিতাসে আলোচিত লতিফ হত্যায় জড়িত একজন আটক

Update Time : ১১:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় চঞ্চল্যকর আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া(৪৫) হত্যায় জড়িত একজনকে আটক করে তিতাস থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

বুধবার সকালে তাকে মানিককান্দি গ্রাম থেকে আটক করা হয়। আটকৃত ব্যক্তি মো. রাজিব (২০) সে মানিককান্দি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিতাস থানার ওসি মো. মমিরুল হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লতিফ হত্যাকাণ্ডের সময় রাজিব সরাসরি জড়িত ছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের নাম পাওয়া যাবে বলে নিহত লতিফের স্বজনদের দাবি।

ওসি মমিরুল হক বলেন, মানিককান্দি গ্রামে লতিফ হত্যাকে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রেখেছি। নিহতের স্বজনরা রাজিব নামের একজনকে আটক করে মারধর করে ডিউটিরত পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছেন।

প্রসঙ্গত মানিকান্দি গ্রামের মৃত ধনু ভূঁইয়ার ছেলে আবদুল লতিফ ভূঁইয়াকে (৪৫) সোমবার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পর লতিফ মারা যায়। ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা ছেলে যুবলীগ নেতা জহির মোল্লা (৩০) হত্যা মামলার আসামি ছিলেন আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া।

আলোচিত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া হত্যা কান্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের দুই বারের চেয়ারম্যান সন্ত্রাস আবুল হোসেন মোল্লার সন্ত্রাসী
গ্রুপের সবাই, যা আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া মৃত্যু ঘোষণা দিয়ে গেছে,

হত্যা কান্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত খুনিদের নামের একাংশ —-

মোহাম্মদ আলী মোল্লা,
রিয়াজুল মোল্লা,
বাদল মোল্লা,
পিতাঃ আবুল হোসেন মোল্লা

মোঃ মনির হোসেন মোল্লা
আবুল হোসেন মোল্লা,
পিতাঃ কফিলউদ্দিন মোল্লা

জাহাঙ্গীর মোল্লা,
পিতাঃ মৃতঃ ফজলু মোল্লা

ফাহিম মোল্লা,
পিতাঃ আবুল কালাম মোল্লা,

নুর নবি ভূঁইয়া,
হোসেন ভূঁইয়া,
পিতাঃ আশ্রাফ উদ্দিন ভূঁইয়া

ইসহাক ভূঁইয়া,
পিতাঃ মোঃ মজিবুর রহমান

জীবন আহমেদ নাজির উডা,
পিতাঃ মোবারক উডা,

মাহমুদ পাপ্পু মোল্লা,
পিতাঃ মনির মোল্লা

মোহাম্মদ আলী উডা,
দেলোয়ার উডা,
পিতাঃ শাহজাহান উডা,

মোঃ মজিবুর রহমান
মোঃ আশ্রাফ উদ্দিন ভূঁইয়া
পিতাঃ ইসমাইল ভূঁইয়া,

গ্রামঃ মানিক কান্দি,
পোস্টঃ ইসলামাবাদ,
ইউনিয়নঃ ০৬ নং ভিটিকান্দি ইউনিয়ন, ০৬ নং ওয়ার্ড
উপজেলাঃ তিতাস,
জেলাঃ কুমিল্লা।

মোট ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে তিতাস থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদীঃ সাইফুল ইসলাম (সাবেক মেম্বার)।

আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান সন্ত্রাস আবুল হোসেন মোল্লা,
আওয়ামী নেতা সন্ত্রাস বাদল মোল্লা এবং পুলিশ জসিমের পরিকল্পনায় সন্ত্রাসী বাহিনীর সবাই পরিকল্পিত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়াকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করছে।

উল্লেখ যে, সন্ত্রাস জহির সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সাইফুল মেম্বারের মৎস্য প্রকল্প (প্রজেক্ট) জবরদখল করতে চেয়ে ৯ গ্রামের জনগণের গণধোলাইয়ে নিহত হয়েছে।