০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে নিহত পরিবারের পাশে এমপি ডা. কেএম বাবর

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন , গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নারী, তাঁর তিন সন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। তিনি নিহত শারমিন আক্তারের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের যোগ্য সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে নিহতদের বাড়িতে যান ডা. কেএম বাবর। সেখানে তিনি নিহত শারমিন আক্তারের বাবা শাহাদাত মোল্লার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ সময় তিনি বলেন, পরিবারের যোগ্য কেউ থাকলে তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এতে পরিবারটি আর্থিকভাবে কিছুটা স্বচ্ছল হতে পারবে।
এ সময় জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় শারমিন আক্তার (৩৫), তাঁর তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২), ফারিয়া (১) এবং ভাই রসুল হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
নিহত শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করে আসছিল।
ঘটনার পর থেকে শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

গাজীপুরে নিহত পরিবারের পাশে এমপি ডা. কেএম বাবর

Update Time : ১০:৩৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন , গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নারী, তাঁর তিন সন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। তিনি নিহত শারমিন আক্তারের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের যোগ্য সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে নিহতদের বাড়িতে যান ডা. কেএম বাবর। সেখানে তিনি নিহত শারমিন আক্তারের বাবা শাহাদাত মোল্লার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ সময় তিনি বলেন, পরিবারের যোগ্য কেউ থাকলে তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এতে পরিবারটি আর্থিকভাবে কিছুটা স্বচ্ছল হতে পারবে।
এ সময় জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে রাতে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় শারমিন আক্তার (৩৫), তাঁর তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২), ফারিয়া (১) এবং ভাই রসুল হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
নিহত শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করে আসছিল।
ঘটনার পর থেকে শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছেন।