০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাপলা চত্বর ট্রাজেডি নিয়ে ইবিতে শিবিরের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন

 

সাকিব মাহমুদ
ইবি প্রতিনিধি:

৫ই মে ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর ট্রাজেডি নিয়ে প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৫ মে) রাত আটটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এসময় সংগঠনের নেতা কর্মীরা ট্রাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি জানায়।

​অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীতে ২০১৩ সালের ৫ই মে সংঘটিত ঘটনার ধারণকৃত বিভিন্ন প্রামাণ্য চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শন করা হয়।

 

এসময় শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ৫ই মে সংঘটিত গণহত্যার মাধ্যমেই ফ্যাসিজমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। এই নৃশংসতার পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা টিকিয়ে রেখে সরকার বিরোধী দল এবং যারা ন্যায় ও সত্যের কথা বলত তাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু করেছিল। এই দিনটিকে ভুলিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে অথচ গণমাধ্যমের উচিত ছিল এই গণহত্যার সত্যতা প্রচার করা। বর্তমান রাষ্ট্রীয় শক্তি এই শাপলা চত্বর ট্রাজেডি দিবসে ভালো কোনো আয়োজন রাখেনি। তাই আমরা এই ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী করেছি।

তিনি আরো বলেন, ৫ই মে হত্যাকাণ্ডের পেছনে সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে মিডিয়াগুলো। অধিকাংশ মিডিয়াগুলো যদি সেদিন ঐক্যবদ্ধ থাকত, যদি এই গণহত্যার ভিডিওগুলো প্রকাশ করার চেষ্টা করত, সবাই যদি সামনের দিকে দাঁড়িয়ে থাকত, তাহলে হয়তো এত বড় ম্যাসাকার করা সম্ভব ছিল না। এখনো মিডিয়াগুলো একপাক্ষিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যেটা নির্বাচনের মধ্যেও দেখেছি কীভাবে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে একটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। মিডিয়া এখন পর্যন্ত সরকারের গোলামি করেই যাচ্ছে। আমরা মিডিয়াগুলোকে আহ্বান করব সেই গোলামি থেকে ফিরে আসুক। যেন নতুন করে কেউ ফ্যাসিস্ট হতে না পারে। সেদিন গণহত্যায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর লোক ছিল না, সন্ত্রাসী বাহিনী, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের লোক ছিল। যারা বাহিনীর পোশাক পরে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। রাষ্ট্রের কাছে দাবি থাকবে অতি দ্রুত সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে সকল দোষীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

শাপলা চত্বর ট্রাজেডি নিয়ে ইবিতে শিবিরের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন

Update Time : ০৩:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

সাকিব মাহমুদ
ইবি প্রতিনিধি:

৫ই মে ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর ট্রাজেডি নিয়ে প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৫ মে) রাত আটটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এসময় সংগঠনের নেতা কর্মীরা ট্রাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি জানায়।

​অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়াসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীতে ২০১৩ সালের ৫ই মে সংঘটিত ঘটনার ধারণকৃত বিভিন্ন প্রামাণ্য চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ প্রদর্শন করা হয়।

 

এসময় শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ৫ই মে সংঘটিত গণহত্যার মাধ্যমেই ফ্যাসিজমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। এই নৃশংসতার পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা টিকিয়ে রেখে সরকার বিরোধী দল এবং যারা ন্যায় ও সত্যের কথা বলত তাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু করেছিল। এই দিনটিকে ভুলিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে অথচ গণমাধ্যমের উচিত ছিল এই গণহত্যার সত্যতা প্রচার করা। বর্তমান রাষ্ট্রীয় শক্তি এই শাপলা চত্বর ট্রাজেডি দিবসে ভালো কোনো আয়োজন রাখেনি। তাই আমরা এই ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী করেছি।

তিনি আরো বলেন, ৫ই মে হত্যাকাণ্ডের পেছনে সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে মিডিয়াগুলো। অধিকাংশ মিডিয়াগুলো যদি সেদিন ঐক্যবদ্ধ থাকত, যদি এই গণহত্যার ভিডিওগুলো প্রকাশ করার চেষ্টা করত, সবাই যদি সামনের দিকে দাঁড়িয়ে থাকত, তাহলে হয়তো এত বড় ম্যাসাকার করা সম্ভব ছিল না। এখনো মিডিয়াগুলো একপাক্ষিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যেটা নির্বাচনের মধ্যেও দেখেছি কীভাবে মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে একটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। মিডিয়া এখন পর্যন্ত সরকারের গোলামি করেই যাচ্ছে। আমরা মিডিয়াগুলোকে আহ্বান করব সেই গোলামি থেকে ফিরে আসুক। যেন নতুন করে কেউ ফ্যাসিস্ট হতে না পারে। সেদিন গণহত্যায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর লোক ছিল না, সন্ত্রাসী বাহিনী, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের লোক ছিল। যারা বাহিনীর পোশাক পরে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। রাষ্ট্রের কাছে দাবি থাকবে অতি দ্রুত সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে সকল দোষীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার।