
মেহেরুল ইসলাম মোহন স্টাফ রিপোর্টার নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার মাছিমপুর এলাকায় নির্মাণাধীন একটি মিনি স্টেডিয়ামে নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের দায়ে নির্মান প্রকল্পের সাব-ঠিকাদারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নাটোর জেলা ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নেতার নাম শুভ। তিনি নাটোর জেলা ছাত্রদলের সদস্য বলে জানা গেছে। শুক্রবার(১লা মে-২০২৬) নির্মাণাধীন ঐ স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা গেছে, বাগাতিপাড়া পৌরসভার মাছিমপুর এলাকায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বাস্তবায়নে ‘উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প-২য় পর্যায় (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ চলছে। ৮ কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৭ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের কার্যাদেশ পায় চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডস ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্ট্রাকশন ওয়ার্কস। সম্প্রতি প্রকল্পের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহার এবং মাঠ ভরাটের জন্য বালির পরিবর্তে মাটি ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার বিকেলে এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য শুভ এবং বাগাতিপাড়া পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনের নেতৃত্বে ৮-১০ জন প্রকল্প এলাকায় যান। এ সময় সেখানে উপস্থিত প্রকল্পের সাব-ঠিকাদার মাহবুব হোসেনের কাছে তারা অনিয়মের বিষয়ে জানতে চান। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে মাহবুব হোসেনকে মারধর করেন ছাত্রদল নেতা শুভ। মারধরের কথা স্বীকার করে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা শুভ বলেন, স্টেডিয়ামে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। ভরাট বালির পরিবর্তে মাটি দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে সেখানে থাকা ঠিকাদার আমাদের বলে আমরা ধান্দা করতে গেছি। একথা শুনে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে একটা থাপ্পর মেরেছি। শুধু একটা থাপ্পরই মেরেছি। বাগাতিপাড়া পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন বলেন, আমরা অনিয়মের বিষয়ে কথা বলতে গেলে আমাদের এক ছোট ভাই শুভ’র সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে শুভ রাগ করে একটা চড় মারে। এ বিষয়ে সাব-কন্ট্রাক্টর মাহবুব হোসেন সংবাদ কর্মীদের বলেন, কাজে কোনো অনিয়ম থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো যেতে পারে। কিন্তু সে কারণে গায়ে হাত তোলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানায়, তার ওপর হামলার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। এ বিষয়ে নাটোর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন সংবাদ কর্মীদের জানায়, ছাত্রদলের কোনো কর্মী এসব অনিয়মের তদন্ত করতে পারেনা। স্থানীয় হিসেবে তারা বড়জোর যথাযথ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে পারে। মারধ
প্রতিনিধির নাম 



















