০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক বায়োটেক সম্মেলনে ইবির ৫টি সম্মাননা অর্জন

ইবি প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক ডিএনএ দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ফিউচার বায়োটেক সামিট’ এবং ‘৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস কংগ্রেস ২০২৬’অনুষ্ঠিত হয় ।এতে অংশ গ্রহণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রতিনিধি দল ৪টি ব্যক্তিগত পুরস্কারসহ মর্যাদাপূর্ণ ‘বেস্ট ইভেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে।
বায়োটেক স্কুলিং-এর জন্য ‘বেস্ট ইভেন্ট অ্যাওয়ার্ড’
সম্মেলনের শুরুতেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারকে তাদের উদ্ভাবনীমূলক ‘বায়োটেক স্কুলিং’ প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এনওয়াইবিবি (NYBB) কমিউনিটির মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও কার্যকর ইভেন্ট আয়োজনের স্বীকৃতিস্বরূপ ইবি চ্যাপ্টারকে ‘NYBB Best Event Award-2025’ প্রদান করা হয়।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে পুরস্কার ও ক্যাটাগরি:
দেশের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭৫০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষার্থী তাদের সৃজনশীলতা ও গবেষণার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন ।
পোস্টার প্রেজেন্টেশন গবেষণাপত্র উপস্থাপনায় ইবি’র ৩ জন গবেষক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।
সাব্বির আহমেদ (শিক্ষাবর্ষ 2021-2022) বায়োইনফরমেটিক্স ক্যাটাগরিতে গবেষণার জন্য পুরস্কৃত হন।
আশিকুজ্জামান অন্তর (শিক্ষাবর্ষ 2017-2018): মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ করেন।
শোভন সাহা (শিক্ষাবর্ষ 2017-2017): মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি ক্যাটাগরিতে তাঁর পোস্টার প্রেজেন্টেশনের জন্য পুরস্কার অর্জন করেন।
ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা আমির খান (শিক্ষাবর্ষ 2017-2018): বায়োলেন্স ক্যাটাগরিতে তাঁর সৃজনশীল স্থিরচিত্রের জন্য পুরস্কার লাভ করেন।
সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অঅতিথি বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনআইবি-র মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সগির আহমেদসহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য গবেষকবৃন্দ।

দিনব্যাপী আয়োজনে প্লেনারি সেশন, নীতি সংলাপসহ বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় মাইক্রোবিয়াল জিনোমিক্স, মানব জেনেটিক্স, সংক্রামক রোগবিজ্ঞান, প্রিসিশন মেডিসিন এবং এআই-নির্ভর বায়োটেকনোলজির মতো সমসাময়িক বিষয়গুলো উঠে আসে। অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশগ্রহণ করেন, যা সম্মেলনটিকে একটি বহুজাতিক জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণা সহযোগিতার মঞ্চে পরিণত করে। প্রায় ৭৫০ জন অংশগ্রহণকারী—শিক্ষার্থী, গবেষক, তরুণ শিক্ষক ও উদ্যোক্তা—দেশের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপ থেকে এতে অংশ নেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. সায়েমা হক বিদিশা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান শতাব্দীতে তাল মিলিয়ে চলতে হলে বায়োটেকনোলজির কোনো বিকল্প নেই। তাই এই সেক্টরে আমাদের বিশেষ যত্ন দেয়া এখন সময়ের দাবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (BCSIR)-এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ এবং অ্যারিস্টোফার্মার পরিচালক সাদমান শাহরিয়ার হাসান। প্রত্যেকেই তাঁদের বক্তব্যে বায়োটেকনোলজির প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশের জৈবপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের চালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ পলিসি মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ‍্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সঞ্চালক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুব ও প্রফেসর ড. মাহবুবুর রশীদ।

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজিম আখন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের SDG বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক প্রফেসর ড. এস. এম. আবদুল আওয়াল। সভাপতিত্ব করেন ন‍্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সগির আহমেদ| তাঁরা প্রত্যেকেই বায়োটেকনোলজিকে এগিয়ে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এই সেক্টরে যে বৈষম্যগুলোর মুখোমুখি হতে হয়, তা নিরসনের অঙ্গীকার করেন। গবেষণা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য এওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্স অর্জন করেন তরুন জীবপ্রযুক্তিবিদ ড. মোঃ মাহবুব হাসান, ড. শিপন দাশ গুপ্ত, সেজান রহমান, মো: আরিফ খান, উজ্জ্বল হোসেন, ড. রাসেল দাশ, ড. সাইদ আনোয়ার, ড. মীর মুবাশির খালিদ, ড. জান্নাতুল ফেরদৌস পাপড়ি| সেরা শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয় ফারিহা আহমেদ রাইসা, ইয়াসিন রহমান, মুহাইমিনুর রহমান, তাহিয়া আকতার তান্মি, মামুনুজ্জামান|
সমাপনী অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সগীর আহমেদ। আয়োজকরা মনে করেন, এই সম্মেলন বাংলাদেশের বায়োটেকনোলজি খাতে নতুন গবেষণা দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

আন্তর্জাতিক বায়োটেক সম্মেলনে ইবির ৫টি সম্মাননা অর্জন

Update Time : ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ইবি প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক ডিএনএ দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ফিউচার বায়োটেক সামিট’ এবং ‘৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস কংগ্রেস ২০২৬’অনুষ্ঠিত হয় ।এতে অংশ গ্রহণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রতিনিধি দল ৪টি ব্যক্তিগত পুরস্কারসহ মর্যাদাপূর্ণ ‘বেস্ট ইভেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে।
বায়োটেক স্কুলিং-এর জন্য ‘বেস্ট ইভেন্ট অ্যাওয়ার্ড’
সম্মেলনের শুরুতেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারকে তাদের উদ্ভাবনীমূলক ‘বায়োটেক স্কুলিং’ প্রোগ্রামের জন্য বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এনওয়াইবিবি (NYBB) কমিউনিটির মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও কার্যকর ইভেন্ট আয়োজনের স্বীকৃতিস্বরূপ ইবি চ্যাপ্টারকে ‘NYBB Best Event Award-2025’ প্রদান করা হয়।
ব্যক্তিগত পর্যায়ে পুরস্কার ও ক্যাটাগরি:
দেশের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭৫০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষার্থী তাদের সৃজনশীলতা ও গবেষণার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন ।
পোস্টার প্রেজেন্টেশন গবেষণাপত্র উপস্থাপনায় ইবি’র ৩ জন গবেষক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।
সাব্বির আহমেদ (শিক্ষাবর্ষ 2021-2022) বায়োইনফরমেটিক্স ক্যাটাগরিতে গবেষণার জন্য পুরস্কৃত হন।
আশিকুজ্জামান অন্তর (শিক্ষাবর্ষ 2017-2018): মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ করেন।
শোভন সাহা (শিক্ষাবর্ষ 2017-2017): মেডিকেল মাইক্রোবায়োলজি ক্যাটাগরিতে তাঁর পোস্টার প্রেজেন্টেশনের জন্য পুরস্কার অর্জন করেন।
ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা আমির খান (শিক্ষাবর্ষ 2017-2018): বায়োলেন্স ক্যাটাগরিতে তাঁর সৃজনশীল স্থিরচিত্রের জন্য পুরস্কার লাভ করেন।
সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অঅতিথি বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনআইবি-র মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সগির আহমেদসহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য গবেষকবৃন্দ।

দিনব্যাপী আয়োজনে প্লেনারি সেশন, নীতি সংলাপসহ বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় মাইক্রোবিয়াল জিনোমিক্স, মানব জেনেটিক্স, সংক্রামক রোগবিজ্ঞান, প্রিসিশন মেডিসিন এবং এআই-নির্ভর বায়োটেকনোলজির মতো সমসাময়িক বিষয়গুলো উঠে আসে। অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশগ্রহণ করেন, যা সম্মেলনটিকে একটি বহুজাতিক জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণা সহযোগিতার মঞ্চে পরিণত করে। প্রায় ৭৫০ জন অংশগ্রহণকারী—শিক্ষার্থী, গবেষক, তরুণ শিক্ষক ও উদ্যোক্তা—দেশের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপ থেকে এতে অংশ নেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. সায়েমা হক বিদিশা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান শতাব্দীতে তাল মিলিয়ে চলতে হলে বায়োটেকনোলজির কোনো বিকল্প নেই। তাই এই সেক্টরে আমাদের বিশেষ যত্ন দেয়া এখন সময়ের দাবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (BCSIR)-এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ এবং অ্যারিস্টোফার্মার পরিচালক সাদমান শাহরিয়ার হাসান। প্রত্যেকেই তাঁদের বক্তব্যে বায়োটেকনোলজির প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশের জৈবপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের চালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ পলিসি মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ‍্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সঞ্চালক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মুশতাক ইবনে আইয়ুব ও প্রফেসর ড. মাহবুবুর রশীদ।

সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজিম আখন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের SDG বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক প্রফেসর ড. এস. এম. আবদুল আওয়াল। সভাপতিত্ব করেন ন‍্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সগির আহমেদ| তাঁরা প্রত্যেকেই বায়োটেকনোলজিকে এগিয়ে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এই সেক্টরে যে বৈষম্যগুলোর মুখোমুখি হতে হয়, তা নিরসনের অঙ্গীকার করেন। গবেষণা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য এওয়ার্ড অফ এক্সিলেন্স অর্জন করেন তরুন জীবপ্রযুক্তিবিদ ড. মোঃ মাহবুব হাসান, ড. শিপন দাশ গুপ্ত, সেজান রহমান, মো: আরিফ খান, উজ্জ্বল হোসেন, ড. রাসেল দাশ, ড. সাইদ আনোয়ার, ড. মীর মুবাশির খালিদ, ড. জান্নাতুল ফেরদৌস পাপড়ি| সেরা শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয় ফারিহা আহমেদ রাইসা, ইয়াসিন রহমান, মুহাইমিনুর রহমান, তাহিয়া আকতার তান্মি, মামুনুজ্জামান|
সমাপনী অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সগীর আহমেদ। আয়োজকরা মনে করেন, এই সম্মেলন বাংলাদেশের বায়োটেকনোলজি খাতে নতুন গবেষণা দিগন্ত উন্মোচন করেছে।