১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুনতি রেঞ্জার আবিদের নিরবতায় সরকারি জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ

 

কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি রেঞ্জের রেঞ্জার আবিদের নিরবতায় চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন বন বিভাগের জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ পেয়ে পর্যবেক্ষণ করেন কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার কামরুল ইসলাম। চুনতি ইউনিয়নের ইসহাক মিয়া সড়কের দুই পাশে চলছে দখলের এক নীরব মহোৎসব। বন বিভাগের জায়গা দখল করে প্রভাবশালী মহল গড়ে তুলছে ফাঁকা দালান,দোকানপাট ও স্থায়ী স্থাপনা। এতে করে বন্যপ্রাণী যেমন হারাচ্ছে তাদের আবাস স্থল ও সরকার হারাচ্ছে বিশাল অঙ্কের রাজস্ব। এতে করে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে জনগণের আবাসস্থল। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিশাল বিশাল পাহাড় কেটে কেটে যেমন দালান নির্মাণ করছেন তেমনি পাহাড়ের মাটি এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে ঢ্রেম্পারে করে এই ছাড়া ও বিভিন্ন স্থানে চলছে দখল ও ভরাট কার্যক্রম। সড়কের পাশের পাহাড় কেটে ও বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়ায় মাটি ভরাট করে কোথাও দোকান, কোথাও বসতঘর নির্মাণ করা হয়েছে। অনেক পাহাড় কেটে সমান করে পিএফ ও রির্জাব জায়গার অংশও দখল হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দখলের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের ছত্রচ্ছায়া চুনতি রেঞ্জের রেঞ্জার আবিদের মাধ্যমে বন বিভাগের উপরমহলে ও মোটা অংকের একটা টাকার অংশ যাচ্ছে ফলে রেঞ্জার আবিদ সহ বন বিভাগের উপরমহল নীরবতায় প্রকাশ্যেই দখল চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, দিনের আলোতেই ভরাট ও দখল চলছে, কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না। প্রতিবাদ করলেই হয়রানির শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিক পরিবারের বিভাগীয় কমিটির মহাসচিব সাংবাদিক কামরুল ইসলাম বন ও পরিবেশমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, ‘ রেঞ্জার আবিদ বলেন এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো আমার কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বিশেষজ্ঞদের মতে বন বিভাগের জায়গা এভাবে অবৈধ দখল অব্যাহত থাকলে দিনের পর দিন বন্যপ্রাণী যেমন হারাচ্ছে তাদের আবাস স্থল তেমনি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণে বাড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ের ছড়া ও জলাধার ভরাটের কারণে বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অভিযান চালিয়ে সরকারি সম্পদ দখলমুক্ত না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

চুনতি রেঞ্জার আবিদের নিরবতায় সরকারি জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ

Update Time : ০২:২১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি রেঞ্জের রেঞ্জার আবিদের নিরবতায় চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন বন বিভাগের জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ পেয়ে পর্যবেক্ষণ করেন কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার কামরুল ইসলাম। চুনতি ইউনিয়নের ইসহাক মিয়া সড়কের দুই পাশে চলছে দখলের এক নীরব মহোৎসব। বন বিভাগের জায়গা দখল করে প্রভাবশালী মহল গড়ে তুলছে ফাঁকা দালান,দোকানপাট ও স্থায়ী স্থাপনা। এতে করে বন্যপ্রাণী যেমন হারাচ্ছে তাদের আবাস স্থল ও সরকার হারাচ্ছে বিশাল অঙ্কের রাজস্ব। এতে করে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে জনগণের আবাসস্থল। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিশাল বিশাল পাহাড় কেটে কেটে যেমন দালান নির্মাণ করছেন তেমনি পাহাড়ের মাটি এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে ঢ্রেম্পারে করে এই ছাড়া ও বিভিন্ন স্থানে চলছে দখল ও ভরাট কার্যক্রম। সড়কের পাশের পাহাড় কেটে ও বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়ায় মাটি ভরাট করে কোথাও দোকান, কোথাও বসতঘর নির্মাণ করা হয়েছে। অনেক পাহাড় কেটে সমান করে পিএফ ও রির্জাব জায়গার অংশও দখল হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দখলের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের ছত্রচ্ছায়া চুনতি রেঞ্জের রেঞ্জার আবিদের মাধ্যমে বন বিভাগের উপরমহলে ও মোটা অংকের একটা টাকার অংশ যাচ্ছে ফলে রেঞ্জার আবিদ সহ বন বিভাগের উপরমহল নীরবতায় প্রকাশ্যেই দখল চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, দিনের আলোতেই ভরাট ও দখল চলছে, কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না। প্রতিবাদ করলেই হয়রানির শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিক পরিবারের বিভাগীয় কমিটির মহাসচিব সাংবাদিক কামরুল ইসলাম বন ও পরিবেশমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, ‘ রেঞ্জার আবিদ বলেন এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো আমার কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বিশেষজ্ঞদের মতে বন বিভাগের জায়গা এভাবে অবৈধ দখল অব্যাহত থাকলে দিনের পর দিন বন্যপ্রাণী যেমন হারাচ্ছে তাদের আবাস স্থল তেমনি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণে বাড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ের ছড়া ও জলাধার ভরাটের কারণে বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অভিযান চালিয়ে সরকারি সম্পদ দখলমুক্ত না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।