০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন

 

নির্মল পাল : স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট: বিদ্যুৎ সংকট নাকি অব্যবস্থাপনার খেলা—এই প্রশ্ন এখন বাগেরহাটবাসীর মুখে মুখে। ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীনতায় নাকাল জনসাধারণ। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে চরমভাবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এটি শুধু সাময়িক অসুবিধা নয়, বরং এক ধরনের মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না, চাকরিজীবীরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খাচ্ছেন, আর ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত লোকসানের মুখে পড়ছেন।

এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মৌলিক সেবাগুলো একে একে ভেঙে পড়ছে। অনেক এলাকায় ইতোমধ্যেই পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা জনভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—এই পরিস্থিতির শেষ কোথায়? দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় জনজীবনে নেমে আসা এই দুর্ভোগ দীর্ঘস্থায়ী সংকটে পরিণত হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন

Update Time : ০২:১০:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

 

নির্মল পাল : স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট: বিদ্যুৎ সংকট নাকি অব্যবস্থাপনার খেলা—এই প্রশ্ন এখন বাগেরহাটবাসীর মুখে মুখে। ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। দিন-রাত মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীনতায় নাকাল জনসাধারণ। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে চরমভাবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না। এটি শুধু সাময়িক অসুবিধা নয়, বরং এক ধরনের মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না, চাকরিজীবীরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খাচ্ছেন, আর ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত লোকসানের মুখে পড়ছেন।

এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মৌলিক সেবাগুলো একে একে ভেঙে পড়ছে। অনেক এলাকায় ইতোমধ্যেই পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা জনভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—এই পরিস্থিতির শেষ কোথায়? দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় জনজীবনে নেমে আসা এই দুর্ভোগ দীর্ঘস্থায়ী সংকটে পরিণত হতে পারে।