০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিভিন্ন জায়গায় জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত ব্যবসা—বিদ্যুৎ ও জেনারেটর সেবায় ভরসা হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা

 

স্টাফ রিপোর্টার: নির্মম পাল

বিভিন্ন জায়গায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ডিজেল ও অকটেনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় একদিকে যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে জেনারেটর চালাতেও হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় তারা দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছেন। আগে যেখানে জেনারেটর চালিয়ে ব্যবসা চালু রাখা যেত, এখন জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে দোকান, শপিংমল, কারখানা ও সেবা খাতের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন জায়গায় একাধিক ব্যবসায়ী জানান, “বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটরই ছিল একমাত্র ভরসা। কিন্তু এখন তেল পাওয়া যাচ্ছে না, আর পেলেও দাম অনেক বেশি। এতে করে খরচ বেড়ে গেছে, লাভ তো দূরের কথা, টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে।”
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকে ইতোমধ্যে ব্যবসার পরিধি কমিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
এরই মধ্যেই আজ বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ছয়টি বন্ধ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন সকল ব্যবসায়ী মহল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

বিভিন্ন জায়গায় জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত ব্যবসা—বিদ্যুৎ ও জেনারেটর সেবায় ভরসা হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা

Update Time : ০৪:৪০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার: নির্মম পাল

বিভিন্ন জায়গায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ডিজেল ও অকটেনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় একদিকে যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে জেনারেটর চালাতেও হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বিভিন্ন জায়গায় ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেমে এসেছে স্থবিরতা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় তারা দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছেন। আগে যেখানে জেনারেটর চালিয়ে ব্যবসা চালু রাখা যেত, এখন জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে দোকান, শপিংমল, কারখানা ও সেবা খাতের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিভিন্ন জায়গায় একাধিক ব্যবসায়ী জানান, “বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটরই ছিল একমাত্র ভরসা। কিন্তু এখন তেল পাওয়া যাচ্ছে না, আর পেলেও দাম অনেক বেশি। এতে করে খরচ বেড়ে গেছে, লাভ তো দূরের কথা, টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে।”
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকে ইতোমধ্যে ব্যবসার পরিধি কমিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
এরই মধ্যেই আজ বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ছয়টি বন্ধ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন সকল ব্যবসায়ী মহল।