০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন উদ্দীপনায় কচি কণ্ঠের আসরের পহেলা বৈশাখ উদযাপন

 

মোঃ সজীব সরদার
গোপালগঞ্জ.

বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে ঘিরে শিশু-কিশোরদের সংগঠন ‘কচি কণ্ঠের আসর’ আয়োজন করেছে এক বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন অনুষ্ঠান। নতুন বছরের আগমনী বার্তাকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ।
রবিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর সলিমুল্লাহ রোডে অবস্থিত কচি কণ্ঠের আসরের কার্যালয়ে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিশু-কিশোরদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেন সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তারা। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থেকে আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে আনন্দময় ও প্রাণবন্ত। নতুন বছরের এই আয়োজন শিশুদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি চর্চা ও বাঙালিয়ানা ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
আয়োজকদের আশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পহেলা বৈশাখের চেতনা আরও বিস্তৃত হবে এবং দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি তাদের ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

নতুন উদ্দীপনায় কচি কণ্ঠের আসরের পহেলা বৈশাখ উদযাপন

Update Time : ০৪:১১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

 

মোঃ সজীব সরদার
গোপালগঞ্জ.

বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে ঘিরে শিশু-কিশোরদের সংগঠন ‘কচি কণ্ঠের আসর’ আয়োজন করেছে এক বর্ণাঢ্য ও আনন্দঘন অনুষ্ঠান। নতুন বছরের আগমনী বার্তাকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ।
রবিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর সলিমুল্লাহ রোডে অবস্থিত কচি কণ্ঠের আসরের কার্যালয়ে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিশু-কিশোরদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেন সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তারা। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থেকে আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে আনন্দময় ও প্রাণবন্ত। নতুন বছরের এই আয়োজন শিশুদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি চর্চা ও বাঙালিয়ানা ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
আয়োজকদের আশা, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পহেলা বৈশাখের চেতনা আরও বিস্তৃত হবে এবং দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি তাদের ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।