
মোমিন আলি লস্কর জয়নগর:-
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সংগঠনের ডাকে খাকুরদহ অঞ্চলে অন্তগর্ত গোয়ালবেড়িয়া হাট সংলগ্ন এলাকায় বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্নেহধন্য প্রার্থী বিভাস সরদারের সমর্থনে যুব সম্মেলন।আর এই
যুব সম্মেলনের মাধ্যমে বিজেপি ও সিপিএম ছেড়ে কিছু কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলেন তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন বারুইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবগ। মঞ্চে থেকে কর্মীদের উদ্দেশ্যে কোঠর ভাবে বার্তা দিতে শোনা গেছে বিদায়ী বিধায়ক বিভাস সরদারের মুখদিয়ে।
বিভাস সরদার তিনি বলেন বারুইপুর পূর্বে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা নেত্রীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্প বাংলার বাড়ি থেকে যদি কেউ টাকা চায়। অবিলম্বে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করুন আমি পুলিশ দিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করাব । মঞ্চ থেকে একের পর এক বিজেপি ও সিপিএমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। বাংলার একাধিক প্রকল্প টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রের সরকার । তার সাথে অসহায় মানুষের যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য যে প্রকল্পটি ছিল সেটিও সম্পূর্ণভাবে বাংলায় বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার অসহায় মানুষের প্রাপ্ত জব কাডের টাকা সহ বাংলার আবাস যোজনার টাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের দুরনীতি করেছেন কিন্তূ বাংলার সাধারণ মানুষের কথা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিন্তা করেছেন। এমন কি তিনি তার নিজ কোষাধ্যক্ষর থেকে এই সমস্থ টাকা দিয়েছেন। কেন্দ্রের হিটলার সরকার সাধারন মানুষের কথা ভাবেনা তারা কেবল বড়ো বড়ো বাতালা দিতে পারে। যেমন কেন্দ্রের সরকার বলেছিল লকডাউন সময় কালো টাকা উদ্ধারের সময় বলেছিলেন প্রত্যেকের ব্যাঙ্কের একাউন্টে ১৫হাজার দেব কিন্তূ আজ পর্যন্ত কাউকে এক টাকা দেয়নি। আবার বলেছিল বছবে দুই হাজার ছেলে মেয়েদের চাকরির দেব কিন্তু আজপর্যন্ত দুই জন কে চাকরীদিতে পারেনি। তবে আমি নিশ্চিত বলতে পারি কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষ কে বিভিন্ন সময় রাস্থায় দাঁড় করিয়েছে, যেমন লক ডাউনে কালোটাকা উদ্ধারের সময় মানুষকে হেরেস্থা করেছেন, চাকরী নামকরে হেনেস্থা করেছেন। গ্যাসের জন্য সাধারণ মানুষ কে হেনেস্থা করছেন। কিন্তু মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কথা বলে ঠিক সেই কথা মত কাজ করে। তিনি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন উন্নয়ন মুখী প্রকল্প করেছেন কিন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এই রকম উন্নয়ন মূলক প্রকল্প করতে পারেনি। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরী দেওয়ার জন্য বন্ধপরিকর কিন্তু সিপিআইএম বিকাশ রঞ্জন ভট্রচার্য এবং বিজেপির সাংসদ অভিজিৎ গাঙ্গুলী দুই জনে বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরী কি বন্ধ করা যায় সেদিকে চেষ্টা করে যাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসহায় মানুষদের কথা ভেবে বাংলা বাড়ি প্রকল্পটি চালু করেছে , আগামী দিনে সবাই বাংলা আবাস যোজনা পাবে।বামআমলে প্রতিদিন মানুষ খুন হত বাংলার মায়েরা ও সুরক্ষিত থাকত না। ২৬ শে বিধানসভা ভোটের পর বিজেপির বিসর্জন জনগণ দেবে। বিজেপির কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন এখন যারা স্বেচ্ছায় তৃণমূলে আসতে চাইছে আমাদের দরজা খোলা।এই যুব সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের মমতার ব্যানার্ সনামধন্য ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্নেহধন্য প্রার্থী বিভাস সরদার, খাকুরদহ অঞ্চলের দুই বারের উপপ্রধান ফারুক হোসেন হালদার,বারুইপুর ব্লকসমিতির সহ সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী, বামনগাছি অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি আবুতালেব সরদার, বারুইপুর পূর্ব বিধান সভার সমস্থ অঞ্চলের যুবসভাপতি এবং সমস্থ অঞ্চলের প্রধান ও উপপ্রধান, অঞ্চল সভাপতি, সদস্য সদস্যা, জয়নগর একনম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি সুহানা পারভীন বৈদ্য, রবিউল বৈদ্য, বারুইপুর ব্লকসমিতির কর্মধ্যক্ষ রফিক সাঁপুই, সহ বিশিষ্ট নেতা ও নেতৃত্বেরা
প্রতিনিধির নাম 

























