০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ সামনে রেখে অসহায়দের পাশে সাবেক কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলাম

 

মো. শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক দুইবারের কাউন্সিলর মো. আল-আমিন ইসলাম। নিজ উদ্যোগে তিনি এলাকার শত শত মানুষের মাঝে ঈদের উপহার বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে নিজ বাসভবনের সামনে থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মধ্যে লুঙ্গি ও শাড়ি বিতরণ করা হবে। ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
এ বিষয়ে মো. আল-আমিন ইসলাম বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ। সেই আনন্দ থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়—সেই চিন্তা থেকেই আমার এই ক্ষুদ্র চেষ্টা। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই নিজেকে সার্থক মনে করি।”
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, বর্তমান সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়ায়। একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম শুধু ঈদের আনন্দই বাড়ায় না, বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনও আরও দৃঢ় করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

ঈদ সামনে রেখে অসহায়দের পাশে সাবেক কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলাম

Update Time : ১২:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

 

মো. শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক দুইবারের কাউন্সিলর মো. আল-আমিন ইসলাম। নিজ উদ্যোগে তিনি এলাকার শত শত মানুষের মাঝে ঈদের উপহার বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে নিজ বাসভবনের সামনে থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মধ্যে লুঙ্গি ও শাড়ি বিতরণ করা হবে। ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
এ বিষয়ে মো. আল-আমিন ইসলাম বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ। সেই আনন্দ থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়—সেই চিন্তা থেকেই আমার এই ক্ষুদ্র চেষ্টা। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই নিজেকে সার্থক মনে করি।”
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, বর্তমান সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়ায়। একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম শুধু ঈদের আনন্দই বাড়ায় না, বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনও আরও দৃঢ় করে।