১১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চন্দ্রা-ডানকিনি-খোদার পুকুর সড়কে সিএনজি চালকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

NEWS DESK গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে ডানকিনি ও খোদার পুকুর সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী চালকদের দাবি, প্রতিটি সিএনজি থেকে ১০০ টাকা করে জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাড়ি আটকে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সিএনজি চালকদের একটি নির্দিষ্ট চক্র বাধ্য করছে চাঁদা দিতে। এতে করে চালকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং তাদের স্বাভাবিক আয়-রোজগারে বিঘ্ন ঘটছে।
একাধিক সিএনজি চালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা কষ্ট করে দিন চালাই। প্রতিদিন ১০০ টাকা করে দিতে গেলে আমাদের পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। না দিলে গাড়ি আটকে রাখে, ভয়ভীতি দেখায়।”
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা জানান, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হবে এবং তারা নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
সচেতন মহল মনে করছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। পাশাপাশি সড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

চন্দ্রা-ডানকিনি-খোদার পুকুর সড়কে সিএনজি চালকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

Update Time : ০১:১২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

NEWS DESK গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে ডানকিনি ও খোদার পুকুর সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী চালকদের দাবি, প্রতিটি সিএনজি থেকে ১০০ টাকা করে জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাড়ি আটকে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সিএনজি চালকদের একটি নির্দিষ্ট চক্র বাধ্য করছে চাঁদা দিতে। এতে করে চালকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং তাদের স্বাভাবিক আয়-রোজগারে বিঘ্ন ঘটছে।
একাধিক সিএনজি চালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা কষ্ট করে দিন চালাই। প্রতিদিন ১০০ টাকা করে দিতে গেলে আমাদের পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। না দিলে গাড়ি আটকে রাখে, ভয়ভীতি দেখায়।”
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা জানান, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হবে এবং তারা নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
সচেতন মহল মনে করছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। পাশাপাশি সড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।