০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে পুলিশ সুপার সহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণায় গ্রেফতার ৩ জন


‎মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী
‎সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

‎সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি ব্যবহার করে ০১৮৮৫-৩৫২৫৬৪ এবং ০১৯৯৮-১০০৮৭৬ নম্বরে হোয়াটস্ এ্যাপ আইডি খুলে। অজ্ঞাতনামা প্রতারকেরা শাড়ী ও লুঙ্গী ব্যবসায়ীদের নিকট নিজেকে পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করেছে। উক্ত আইডি দুটি ব্যবহার করে শাড়ী ও লুঙ্গী ব্যবসায়ী ছাড়া ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট ঈদের সম্মানী বাবদ চাঁদা দাবী করেছেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ সুপার মহোদয় অবগত হলে তিনি আইডি ব্যবহারকারী প্রতারক আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা,তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক আসামীদের বর্ণিত নম্বর ও হোয়াটস্ এ্যাপ আইডি এবং আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করেছেন।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু,বিপিএম (বার) মহোদয় নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে মোঃ হাফিজুর রহমান,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এবং অপস্) এর নেতৃত্বে মোঃ নাজরান রউফ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,সিরাজগঞ্জ সার্কেল,সিরাজগঞ্জ ডিবির এসআই (নিঃ)/মোঃ শারফুল ইসলাম,এএসআই (নিঃ)/মোঃ পলাশ হোসেন,এএসআই (নিঃ)/বৃন্দাবন রায়,এএসআই (নিঃ)/মোঃ আশরাফুল আলম,জেলা গোয়েন্দা শাখা,সিরাজগঞ্জসহ,সিরাজগঞ্জ সদর থানার এসআই (নিঃ) মামুন মিয়ার সমন্বয়ে একটি যৌথ চৌকস টিম গঠন করেছিলেন। চৌকস টিমটি তথ্য প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সহিত জড়িত আসামী (১) মোঃ সোহেল মিয়া (৩৪), পিতা-মোঃ আমজাদ,সাং-কৃষ্ণপুর নামাপাড়া, থানা-শেরপুর, (২) মোঃ বাদশা আকন্দ (৫০), পিতা-মৃত রমজান আকন্দ,সাং-চালাপাড়া, থানা-ধুনট,বর্তমান সাং-খানপুর,থানা-শেরপুর, (৩) মোঃ রিপন (২২),পিতা-মোঃ বাদশা আকন্দ, সাং-খানপুর পশ্চিমপাড়া,থানা-শেরপুর,সর্ব জেলা-বগুড়াগণদের গ্রেফতার পূর্বক আসামী মোঃ সোহেল মিয়া এর হেফাজত হতে জব্দকৃত ০১ টি আইটেল এন্ড্রয়েট মোবাইল,০১ টি স্যামসাং এন্ড্রয়েট মোবাইল ও নগদ (৫০০ x ৬) = ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে সিরাজগঞ্জের সদর থানা এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের নিকট নিজেকে সরকারী কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবী করেছেন,চাঁদা আদায় ও প্রতারণা করে আসছে বলে পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এই বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের নিকট জানতে চাইলে তিনি দৈনিক স্বদেশ বিচিত্র পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও চ্যানেল এইচডি ২৪ এর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী কে বলেছেন,৩ জন প্রতারক চক্র কে আটক করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

সিরাজগঞ্জে পুলিশ সুপার সহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণায় গ্রেফতার ৩ জন

Update Time : ০৩:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬


‎মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী
‎সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

‎সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি ব্যবহার করে ০১৮৮৫-৩৫২৫৬৪ এবং ০১৯৯৮-১০০৮৭৬ নম্বরে হোয়াটস্ এ্যাপ আইডি খুলে। অজ্ঞাতনামা প্রতারকেরা শাড়ী ও লুঙ্গী ব্যবসায়ীদের নিকট নিজেকে পুলিশ সুপার হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করেছে। উক্ত আইডি দুটি ব্যবহার করে শাড়ী ও লুঙ্গী ব্যবসায়ী ছাড়া ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট ঈদের সম্মানী বাবদ চাঁদা দাবী করেছেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ সুপার মহোদয় অবগত হলে তিনি আইডি ব্যবহারকারী প্রতারক আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা,তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক আসামীদের বর্ণিত নম্বর ও হোয়াটস্ এ্যাপ আইডি এবং আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করেছেন।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু,বিপিএম (বার) মহোদয় নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে মোঃ হাফিজুর রহমান,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এবং অপস্) এর নেতৃত্বে মোঃ নাজরান রউফ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,সিরাজগঞ্জ সার্কেল,সিরাজগঞ্জ ডিবির এসআই (নিঃ)/মোঃ শারফুল ইসলাম,এএসআই (নিঃ)/মোঃ পলাশ হোসেন,এএসআই (নিঃ)/বৃন্দাবন রায়,এএসআই (নিঃ)/মোঃ আশরাফুল আলম,জেলা গোয়েন্দা শাখা,সিরাজগঞ্জসহ,সিরাজগঞ্জ সদর থানার এসআই (নিঃ) মামুন মিয়ার সমন্বয়ে একটি যৌথ চৌকস টিম গঠন করেছিলেন। চৌকস টিমটি তথ্য প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সহিত জড়িত আসামী (১) মোঃ সোহেল মিয়া (৩৪), পিতা-মোঃ আমজাদ,সাং-কৃষ্ণপুর নামাপাড়া, থানা-শেরপুর, (২) মোঃ বাদশা আকন্দ (৫০), পিতা-মৃত রমজান আকন্দ,সাং-চালাপাড়া, থানা-ধুনট,বর্তমান সাং-খানপুর,থানা-শেরপুর, (৩) মোঃ রিপন (২২),পিতা-মোঃ বাদশা আকন্দ, সাং-খানপুর পশ্চিমপাড়া,থানা-শেরপুর,সর্ব জেলা-বগুড়াগণদের গ্রেফতার পূর্বক আসামী মোঃ সোহেল মিয়া এর হেফাজত হতে জব্দকৃত ০১ টি আইটেল এন্ড্রয়েট মোবাইল,০১ টি স্যামসাং এন্ড্রয়েট মোবাইল ও নগদ (৫০০ x ৬) = ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে সিরাজগঞ্জের সদর থানা এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের নিকট নিজেকে সরকারী কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবী করেছেন,চাঁদা আদায় ও প্রতারণা করে আসছে বলে পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এই বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের নিকট জানতে চাইলে তিনি দৈনিক স্বদেশ বিচিত্র পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ও চ্যানেল এইচডি ২৪ এর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী কে বলেছেন,৩ জন প্রতারক চক্র কে আটক করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।