০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন

নিউজ ডেক্স:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা ব‍্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন সম্প্রতি বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Land (Bangladesh)- এর দায়িত্ব পাওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস‍্যু নিয়ে কাজ করা সমাজিক সংগঠন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এ সময় তারা উল্লেখ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও জটিল ইস্যু। তাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এমন একজনের হাতে যাওয়ায় আমরা আনন্দিত,যিনি একজন বিজ্ঞ আইনজীবী এবং আগে থেকেই পাহাড়ের বাস্তবতা ও সমস্যার সাথে পরিচিত।

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের মাঝে আশা জেগেছে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত এগিয়ে নেবেন। পাহাড়ে ভূমি জরিপ ও ভূমি রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবেন। কার্যকরভাবে ভূমি কমিশনের কার্যক্রম জোরদার করবেন। পাহাড়ে বসবাসকারী বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের ন্যায্য সমাধান নিশ্চিত করবেন।

এ সময় তারা আরো উল্লেখ করেন,পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মীর হেলালকে নিয়ে তথাকথিত ৩৫ জন পাহাড়ি বিশিষ্টজনের নামে একটি ভূঁইফো সংগঠন এবং উগ্রবাদী নেতা উষাতন তালুকদার স্মারকলিপির দিয়ে মিথ্যাচার করে।এটা সম্পূর্ণরূপে ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তি মূলক। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

একই সাথে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ মনে করে একটি মন্ত্রণালয় সকল স্তরের জনগোষ্ঠীর জন্য, এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত থাকে তা হতে পারেনা। অপর একটি বিশাল জনগোষ্ঠী ( বাঙ্গালী) মধ্যে বঞ্চনার সৃষ্টি করলে দীর্ঘমেয়াদে পাহাড়ের অশান্তি সৃষ্টির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের এই সমন্বয় আসলে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ বা ক্ষমতার ভারসাম্য। একজন পাহাড়ের আবেগ ও ঐতিহ্য রক্ষা করবেন, অন্যজন পাহাড়ের প্রশাসনিক কাঠামোকে আধুনিকায়ন ও আইনি ভিত্তি প্রদান করবেন। এটি একটি টিম-ওয়ার্ক, যা পাহাড়ের মানুষকে দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্তি দেবে।

এ-সময় প্রধানমন্ত্রী তাররক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য এলাকার জনগণের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯ ও ৪১ এই অনুচ্ছেদগুলো তিনি বাস্তবায়ন করেছিলেন। যার দরূন আজ ৫৪ শতাংশ বাঙালি স্থায়ীভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করছে। তাই বাংলাদেশের এক দশমাংশ জায়গাজুড়ে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যমান সমস্যা নিরসন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ন্যায় বিজ্ঞ আইনজীবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির দ্বারা সম্ভব বলে আমরা মনে করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন

Update Time : ১১:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

নিউজ ডেক্স:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা ব‍্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন সম্প্রতি বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Land (Bangladesh)- এর দায়িত্ব পাওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস‍্যু নিয়ে কাজ করা সমাজিক সংগঠন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এ সময় তারা উল্লেখ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও জটিল ইস্যু। তাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এমন একজনের হাতে যাওয়ায় আমরা আনন্দিত,যিনি একজন বিজ্ঞ আইনজীবী এবং আগে থেকেই পাহাড়ের বাস্তবতা ও সমস্যার সাথে পরিচিত।

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের মাঝে আশা জেগেছে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুত এগিয়ে নেবেন। পাহাড়ে ভূমি জরিপ ও ভূমি রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবেন। কার্যকরভাবে ভূমি কমিশনের কার্যক্রম জোরদার করবেন। পাহাড়ে বসবাসকারী বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের ন্যায্য সমাধান নিশ্চিত করবেন।

এ সময় তারা আরো উল্লেখ করেন,পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মীর হেলালকে নিয়ে তথাকথিত ৩৫ জন পাহাড়ি বিশিষ্টজনের নামে একটি ভূঁইফো সংগঠন এবং উগ্রবাদী নেতা উষাতন তালুকদার স্মারকলিপির দিয়ে মিথ্যাচার করে।এটা সম্পূর্ণরূপে ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তি মূলক। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

একই সাথে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ মনে করে একটি মন্ত্রণালয় সকল স্তরের জনগোষ্ঠীর জন্য, এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত থাকে তা হতে পারেনা। অপর একটি বিশাল জনগোষ্ঠী ( বাঙ্গালী) মধ্যে বঞ্চনার সৃষ্টি করলে দীর্ঘমেয়াদে পাহাড়ের অশান্তি সৃষ্টির মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দীপেন দেওয়ান ও মীর হেলালের এই সমন্বয় আসলে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ বা ক্ষমতার ভারসাম্য। একজন পাহাড়ের আবেগ ও ঐতিহ্য রক্ষা করবেন, অন্যজন পাহাড়ের প্রশাসনিক কাঠামোকে আধুনিকায়ন ও আইনি ভিত্তি প্রদান করবেন। এটি একটি টিম-ওয়ার্ক, যা পাহাড়ের মানুষকে দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্তি দেবে।

এ-সময় প্রধানমন্ত্রী তাররক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য এলাকার জনগণের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯ ও ৪১ এই অনুচ্ছেদগুলো তিনি বাস্তবায়ন করেছিলেন। যার দরূন আজ ৫৪ শতাংশ বাঙালি স্থায়ীভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করছে। তাই বাংলাদেশের এক দশমাংশ জায়গাজুড়ে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যমান সমস্যা নিরসন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল ন্যায় বিজ্ঞ আইনজীবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির দ্বারা সম্ভব বলে আমরা মনে করছি।