০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাকাই যেন সব—অভাবের সংসারে টাকা ছাড়া জীবন যেন থেমে যায়। শোলাপ্রতিমা গ্রামের শিপনের জীবনও আজ তেমন এক কঠিন বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে

বিশেষ প্রতিনিধি গৌরাঙ্গ বিশ্বাস

টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামের ১১ বছরের শিশু শিপন আজ কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি।
ছয় মাস আগে তার বাম পায়ে বড় একটি অপারেশন হয়। বাবা শোলাপ্রতিমা বাজারে পান বিক্রি করেন, আর মা স্থানীয় একটি নার্সারিতে কাজ করে সংসার ও ছেলের চিকিৎসার খরচ চালাতেন। কিন্তু গত ২৩ ডিসেম্বর শোলাপ্রতিমা-সখীপুর টু গৌড়িয়া সড়কে স্টেডিয়ামের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় শিপনের মা নিহত হন। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই থমকে যায় শিপনের চিকিৎসা।
অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা না হওয়ায় অপারেশন করা পায়ে মারাত্মক সমস্যা সেপটি হয়েছে । চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে টানা ১৭ দিন ইনজেকশন দিতে হবে এবং পুনরায় একটি অপারেশন জরুরি। কিন্তু দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে এই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।
শিপনের খালা বাছেনা বেগম নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী শিশুটির দেখভাল করছেন। প্রতিবেশীদের সামান্য সহায়তা মিললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
শিপনের একটাই প্রশ্ন—সে কি আবার সবার মতো স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে ও খেলতে পারবে?
মানবিক সহায়তার জন্য শিপনের পরিবারের যোগাযোগ নম্বর: 📞 ০১৭৩৭২৩৩৯২৬
সামান্য সহায়তাই ফিরিয়ে দিতে পারে একটি শিশুর হাসি ও স্বাভাবিক জীবন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

টাকাই যেন সব—অভাবের সংসারে টাকা ছাড়া জীবন যেন থেমে যায়। শোলাপ্রতিমা গ্রামের শিপনের জীবনও আজ তেমন এক কঠিন বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে

Update Time : ০৩:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি গৌরাঙ্গ বিশ্বাস

টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামের ১১ বছরের শিশু শিপন আজ কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি।
ছয় মাস আগে তার বাম পায়ে বড় একটি অপারেশন হয়। বাবা শোলাপ্রতিমা বাজারে পান বিক্রি করেন, আর মা স্থানীয় একটি নার্সারিতে কাজ করে সংসার ও ছেলের চিকিৎসার খরচ চালাতেন। কিন্তু গত ২৩ ডিসেম্বর শোলাপ্রতিমা-সখীপুর টু গৌড়িয়া সড়কে স্টেডিয়ামের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় শিপনের মা নিহত হন। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই থমকে যায় শিপনের চিকিৎসা।
অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা না হওয়ায় অপারেশন করা পায়ে মারাত্মক সমস্যা সেপটি হয়েছে । চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে টানা ১৭ দিন ইনজেকশন দিতে হবে এবং পুনরায় একটি অপারেশন জরুরি। কিন্তু দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে এই ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।
শিপনের খালা বাছেনা বেগম নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী শিশুটির দেখভাল করছেন। প্রতিবেশীদের সামান্য সহায়তা মিললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
শিপনের একটাই প্রশ্ন—সে কি আবার সবার মতো স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে ও খেলতে পারবে?
মানবিক সহায়তার জন্য শিপনের পরিবারের যোগাযোগ নম্বর: 📞 ০১৭৩৭২৩৩৯২৬
সামান্য সহায়তাই ফিরিয়ে দিতে পারে একটি শিশুর হাসি ও স্বাভাবিক জীবন।