
স্টাফ রিপোর্টারঃ-
কেসি অ্যাগ্রো কমপ্লেক্স, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ—প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এলডিপিপি (LDPP) প্রকল্পের আওতায় ৬০/৪০ অনুপাতে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত একটি চলমান প্রকল্প। অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে এবং নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৯৫% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এতদসত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে অযৌক্তিক সময়ক্ষেপণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রকল্পটির মেয়াদ চলতি মার্চ মাসেই শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বকেয়া বিল নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি চরম আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং উদ্যোক্তার ন্যায্য প্রাপ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, একই প্রকল্পের আওতায় আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে, কিন্তু কেবল কেসি অ্যাগ্রো কমপ্লেক্সের নাম ব্যবহার করে কিছু অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনেকেই অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছেন যে উক্ত প্রতিবেদন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
প্রকল্পের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর (DPD) ড. হারুন-এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায্য বিল পরিশোধ নিশ্চিত করবেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার সম্প্রতি ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পালনের কারণে কিছু সময় সরাসরি তদারকি করতে না পারলেও, গত কয়েকদিন ধরে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন অসঙ্গতির বিষয়ে গঠনমূলক আপত্তি তুলে ধরেছেন। তিনি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ না করে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একজন তরুণ উদ্যোক্তার এই আন্তরিক প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। ন্যায়সঙ্গত বিল পরিশোধ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অবসানই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা।
প্রতিনিধির নাম 



















