
মোঃ নাঈম উদ্দীন
বিশেষ প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা।
চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানাধীন আকন্দবাড়ীয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১ পিস ইয়াবাসহ মো. রিপন মিয়া (৩৯) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ বা সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আজ বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভোরে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মো. নজরুল ইসলাম-এর তত্ত্বাবধানে দর্শনা থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটের সময় দর্শনা থানার এসআই (নিঃ) আলমগীর কবির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গোপন সংবাদ পান যে, দর্শনা থানাধীন আকন্দবাড়ীয়া গ্রামস্থ আকন্দবাড়ীয়া সাকিনের আসামী মো. রিপন মিয়ার বসতবাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর একজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করছেন।
প্রাপ্ত সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য এসআই আলমগীর কবির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত উক্ত স্থানে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামী পালানোর চেষ্টা করলে সাহসিকতার সাথে ধাওয়া করে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তির শরীর তল্লাশি করে তার নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী: মো. রিপন মিয়া (৩৯)
পিতা: মো. আব্দুল মান্নান (আঃ মান্নান)
মাতা: মোছা. ছালেহা খাতুন
সাং: আকন্দবাড়ীয়া
থানা: দর্শনা
জেলা: চুয়াডাঙ্গা
গ্রেফতারের পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আসামীকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের নিমিত্তে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সংক্ষিপ্ত বিচার আদালত)-এ উপস্থাপন করা হয়। বিজ্ঞ আদালত মামলার সমস্ত নথিপত্র পর্যালোচনা এবং আসামীর অপরাধের সত্যতা বিবেচনা করে আসামী মো. রিপন মিয়াকে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০০/- (দুই হাজার) টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দর্শনা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে থানা পুলিশের এই কড়া নজরদারি ও জোরালো ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 



















