১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাহিরপুরে ফকিরনগরে যৌথ অভিযানে উদ্ধার ১ লাখ

আমির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের ফকিরনগর গ্রামে যৌথ অভিযানে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্ত কুদ্দুস মিয়া ওরফে ‘বিড়ি কুদ্দুস’ পালিয়ে যান।

জানা যায়, গ্রামবাসী, মাদক নির্মূল কমিটি, মানিক তাহিরপুর এবং মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদ, তাহিরপুরের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ফকিরনগর গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার (পিতা: শব্দর আলী) বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

পরে উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় বিড়ি বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সজলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কুদ্দুস মিয়া পালিয়ে যান।

বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সজল জানান, উদ্ধার হওয়া ভারতীয় বিড়ির ঘটনায় কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে স্থানীয় মাদকবিরোধী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, মাদক ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং অবৈধ পণ্যের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

তাহিরপুরে ফকিরনগরে যৌথ অভিযানে উদ্ধার ১ লাখ

Update Time : ০১:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

আমির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের ফকিরনগর গ্রামে যৌথ অভিযানে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অভিযুক্ত কুদ্দুস মিয়া ওরফে ‘বিড়ি কুদ্দুস’ পালিয়ে যান।

জানা যায়, গ্রামবাসী, মাদক নির্মূল কমিটি, মানিক তাহিরপুর এবং মাদকবিরোধী ঐক্য পরিষদ, তাহিরপুরের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ফকিরনগর গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার (পিতা: শব্দর আলী) বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

পরে উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় বিড়ি বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সজলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযানের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই কুদ্দুস মিয়া পালিয়ে যান।

বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সজল জানান, উদ্ধার হওয়া ভারতীয় বিড়ির ঘটনায় কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে স্থানীয় মাদকবিরোধী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, মাদক ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এবং অবৈধ পণ্যের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।