০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরই বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে বন সম্পদ উদাউ

 

কামরুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

লামায় সরই বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে অবৈধ কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছে
গোপন সূত্রে জানা যায়, সরই বিট কর্মকর্তা ও অবৈধ কাঠ পাচারকারী একটি সিন্ডিকেটের সদস্যদের যোগসাজশে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ১০০ থেকে ১৫০টি গাড়িতে করে অবৈধ কাঠ ও জ্বালানি লাকড়ি বিভিন্ন ইটভাটা ও অন্যান্য স্থানে পাচার করা হচ্ছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, সরই বন ক্যাম্পের ২০০ থেকে ৩০০ গজের মধ্যে বিশাল আকারের বাগান কেটে সাবাড় করা হয়েছে। এছাড়াও বন ক্যাম্পের আশেপাশে আরও ৩০ থেকে ৪০টি বাগান উজাড় করে ফেলেছে বনখেকোরা।
স্থানীয় সূত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কাঠ ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, সরই বিট কর্মকর্তা কাঠ ও লাকড়ি পরিবহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী, লাকড়ির গাড়ি প্রতি ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং কাঠের গাড়ি প্রতি ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। এছাড়া বড় বাগান কাটার ক্ষেত্রে ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত বনকর্মীদের মাধ্যমে আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

সরই বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে বন সম্পদ উদাউ

Update Time : ০৩:২৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

 

কামরুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

লামায় সরই বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে অবৈধ কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছে
গোপন সূত্রে জানা যায়, সরই বিট কর্মকর্তা ও অবৈধ কাঠ পাচারকারী একটি সিন্ডিকেটের সদস্যদের যোগসাজশে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ১০০ থেকে ১৫০টি গাড়িতে করে অবৈধ কাঠ ও জ্বালানি লাকড়ি বিভিন্ন ইটভাটা ও অন্যান্য স্থানে পাচার করা হচ্ছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, সরই বন ক্যাম্পের ২০০ থেকে ৩০০ গজের মধ্যে বিশাল আকারের বাগান কেটে সাবাড় করা হয়েছে। এছাড়াও বন ক্যাম্পের আশেপাশে আরও ৩০ থেকে ৪০টি বাগান উজাড় করে ফেলেছে বনখেকোরা।
স্থানীয় সূত্রে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কাঠ ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, সরই বিট কর্মকর্তা কাঠ ও লাকড়ি পরিবহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী, লাকড়ির গাড়ি প্রতি ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং কাঠের গাড়ি প্রতি ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। এছাড়া বড় বাগান কাটার ক্ষেত্রে ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত বনকর্মীদের মাধ্যমে আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।