০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় সমন্বয় সভা

 

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এ সভায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মঙ্গলবার (০৪ মার্চ ২০২৬) দুপুরে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক স্বাস্থ্য প্রোগ্রাম পানছড়ির মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মকর্তা ডাক্তার অনুতোষ চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি সরাসরি জন স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পানিবাহিত ও ভেক্টর-বাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষ করে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু সহ এডিস বাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্বাস্থ্যখাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, যা মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পাশাপাশি দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে স্বাস্থ্য অবকাঠামোর মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষিত জনবল বৃদ্ধি এবং সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার প্রিতম চাকমা, ডাক্তার ফজলুল বারী জিহান, ডাক্তার নীতি চাকমা, ব্র্যাক খাগড়াছড়ির (জলবায়ু পরিবর্তন) অফিসার রোমিও আফরিন উপমা, সীমা চাকমা, ক্লিনিক এইড গ্রীন হিল, ব্র্যাক ফিল্ড অর্গানাইজার সোহানি চাকমা,ছোটন চাকমা সহ যুব রেড ক্রিসেন্ট প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা জোরদার করা হবে এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

পানছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় সমন্বয় সভা

Update Time : ০৫:১৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

 

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এ সভায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

মঙ্গলবার (০৪ মার্চ ২০২৬) দুপুরে পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক স্বাস্থ্য প্রোগ্রাম পানছড়ির মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মকর্তা ডাক্তার অনুতোষ চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর কেবল পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি সরাসরি জন স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পানিবাহিত ও ভেক্টর-বাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষ করে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু সহ এডিস বাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে স্বাস্থ্যখাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, যা মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। পাশাপাশি দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে স্বাস্থ্য অবকাঠামোর মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষিত জনবল বৃদ্ধি এবং সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার প্রিতম চাকমা, ডাক্তার ফজলুল বারী জিহান, ডাক্তার নীতি চাকমা, ব্র্যাক খাগড়াছড়ির (জলবায়ু পরিবর্তন) অফিসার রোমিও আফরিন উপমা, সীমা চাকমা, ক্লিনিক এইড গ্রীন হিল, ব্র্যাক ফিল্ড অর্গানাইজার সোহানি চাকমা,ছোটন চাকমা সহ যুব রেড ক্রিসেন্ট প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা জোরদার করা হবে এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করা হবে।