
নীলফামারী প্রতিনিধি:
জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টাফদারা বিভিন্ন রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে, গত কয়েক মাস ধরে দেখা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টাফদের বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র যা উঠে আসে গণমাধ্যম কর্মীদের ক্যামেরায়। এবং কি অভিযোগ রয়েছে তারা এলাকায় যে ছোটখাটো পারিবারিক সূত্রে মারামারি, কলহ,অর্থ লোভে পড়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন জলঢাকা থেকে নরমাল করে যাতে করে আসামি পক্ষদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এসব কাজ করে থাকেন বলে জানা গিয়েছে। এবং ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে শুদ্ধভাবে রোগীদের না বুঝানোর কারণে অসুস্থ অনেক বাচ্চা। এবং অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের সেবার চেয়ে ভোগান্তি বেশি হচ্ছে। রক্তের গ্রুপ যদি হয়ে থাকে A নেগেটিভ তারা পরীক্ষা করে দেখে 0 পজেটিভ এভাবেই চলে আসতেছে ভুল চিকিৎসার মহা উৎসব, সেবার মান, যা নিয়ে ক্ষোপের ঝড় বইছে পুরো উপজেলা জুড়ে। অনেকেই বলতেছে জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যাবে মানুষ তাদের চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে । জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টি যেনো অনিয়মে ভরপুর বলতেছেন স্থানীয়রা। কেউ কিছু বলতে গেলে গণমাধ্যম কর্মী বা মানুষের নামে ছড়ানো হয় মিথ্যা গুজব, যা বানোয়াড এবং ভিত্তিহীন। যাতে করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়মের চিত্র এবং সত্য তুলে ধরতে না পারে সেভাবেই অপচেষ্টা চালাচ্ছে হাসপাতালের একটি পক্ষ। তবে বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরিকরা বলতেছেন যদি জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সঠিকভাবে নজরদারি, চিকিৎসা সেবা না হয়, তা দিয়ে জনগণ কী সেবা পেতে পারে যেখানে সরকার স্বাস্থ্য খাতে জনগণের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে। এ দিকে ১০ থেকে ১২ দিন ধরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা নন্দা সেনগুপ্তর সাথে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের ফোন রিসিভ করেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে কথা হয় নীলফামারী সিভিল সার্জন এর সাথে তিনি জানান যে আমার কাছে যারা ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করতে বলেন দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধির নাম 



















