০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন সভাপতি রনি, সম্পাদক বাঁধনের বড় জয়

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে একাত্তর টেলিভিশনের আজিজুর রহমান রনি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দেশ টিভির শেখ জাবেরুল ইসলাম বাঁধন নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে বাঁধন বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবীর ফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে আজিজুর রহমান রনি ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাই টিভির আরিফুল হক আরিফ পান ১৪ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ জাবেরুল ইসলাম বাঁধন ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী চ্যানেল এস টিভির কাজী মাহমুদ পান ৩ ভোট।
সহসভাপতির দুটি পদের একটিতে আর টিভির আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর পদে বিজয় টিভির অছিকুজ্জামান ও এসএ টিভির আজিজুর রহমান টিপু সমান ১২ ভোট পাওয়ায় লটারির মাধ্যমে অছিকুজ্জামানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ পদে সময় টিভির জয়ন্ত শিরালী পান ৯ ভোট।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দীপ্ত টিভির হুসাইন ইমাম সবুজ ১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী নাগরিক টিভির আশিক জামান পান ১২ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এশিয়ান টিভির তানভীর হাসান সৈকত ২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গ্লোবাল টিভির হেমন্ত বিশ্বাস পান ৬ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে এনটিভির মো. মাসুদ পারভেজ ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনন্দ টিভির মো. সেলিম রেজা পান ১১ ভোট।
নির্বাহী সদস্যের চারটি পদে বাংলা টিভির সৈয়দ আকবর হোসেন, স্টার টিভির নুরুল আলম ফয়সাল, নিউজ-২৪ টিভির সামিউল আলিম এবং চ্যানেল ওয়ান টিভির সঞ্জয় বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা যথাক্রমে ২৩, ২৯, ২৬ ও ২৬ ভোট পান। অপর প্রার্থী একুশে টিভির মো. রায়হান মুন্সী পান ১১ ভোট।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩১ জন ভোটারের মধ্যে ৩০ জন ভোট দেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এস এম হুমায়ূন কবীর। তাঁকে সহযোগিতা করেন আমিনুল হাসান শাহীন, নুতন শেখ ও শরিফুল ইসলাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

গোপালগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন সভাপতি রনি, সম্পাদক বাঁধনের বড় জয়

Update Time : ০৪:১৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে একাত্তর টেলিভিশনের আজিজুর রহমান রনি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দেশ টিভির শেখ জাবেরুল ইসলাম বাঁধন নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে বাঁধন বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবীর ফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচনের ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে আজিজুর রহমান রনি ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাই টিভির আরিফুল হক আরিফ পান ১৪ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ জাবেরুল ইসলাম বাঁধন ২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী চ্যানেল এস টিভির কাজী মাহমুদ পান ৩ ভোট।
সহসভাপতির দুটি পদের একটিতে আর টিভির আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর পদে বিজয় টিভির অছিকুজ্জামান ও এসএ টিভির আজিজুর রহমান টিপু সমান ১২ ভোট পাওয়ায় লটারির মাধ্যমে অছিকুজ্জামানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ পদে সময় টিভির জয়ন্ত শিরালী পান ৯ ভোট।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দীপ্ত টিভির হুসাইন ইমাম সবুজ ১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী নাগরিক টিভির আশিক জামান পান ১২ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এশিয়ান টিভির তানভীর হাসান সৈকত ২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গ্লোবাল টিভির হেমন্ত বিশ্বাস পান ৬ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে এনটিভির মো. মাসুদ পারভেজ ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনন্দ টিভির মো. সেলিম রেজা পান ১১ ভোট।
নির্বাহী সদস্যের চারটি পদে বাংলা টিভির সৈয়দ আকবর হোসেন, স্টার টিভির নুরুল আলম ফয়সাল, নিউজ-২৪ টিভির সামিউল আলিম এবং চ্যানেল ওয়ান টিভির সঞ্জয় বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা যথাক্রমে ২৩, ২৯, ২৬ ও ২৬ ভোট পান। অপর প্রার্থী একুশে টিভির মো. রায়হান মুন্সী পান ১১ ভোট।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩১ জন ভোটারের মধ্যে ৩০ জন ভোট দেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এস এম হুমায়ূন কবীর। তাঁকে সহযোগিতা করেন আমিনুল হাসান শাহীন, নুতন শেখ ও শরিফুল ইসলাম।