১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামপাল উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে রেকর্ডিয় খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ

 

মোঃ রাসেল হাওলাদার
ক্রাইম রিপোর্টার বাগেরহাট

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সরকারি রেকর্ডিয় খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (২ মে) সকাল ১১টার দিকে বাইনতলা ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকায় চন্ডিতলা খালে এ অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই বাঁধের কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে আশপাশের কৃষিজমিতে সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছিল।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর উপস্থিত থেকে বাঁধ অপসারণ করেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম-এর নির্দেশনায় অভিযানটি পরিচালিত হয় বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, সরকারি খাল, নদী ও জলাশয়ে অবৈধ দখল বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাঁধ অপসারণের পর খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

রামপাল উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে রেকর্ডিয় খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ

Update Time : ০৪:৫২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

 

মোঃ রাসেল হাওলাদার
ক্রাইম রিপোর্টার বাগেরহাট

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সরকারি রেকর্ডিয় খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (২ মে) সকাল ১১টার দিকে বাইনতলা ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকায় চন্ডিতলা খালে এ অভিযান পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে ওই বাঁধের কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে আশপাশের কৃষিজমিতে সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছিল।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর উপস্থিত থেকে বাঁধ অপসারণ করেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম-এর নির্দেশনায় অভিযানটি পরিচালিত হয় বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, সরকারি খাল, নদী ও জলাশয়ে অবৈধ দখল বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাঁধ অপসারণের পর খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।