০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস”

নিজস্ব প্রতিনিধি,

আজ ২৬ এপ্রিল,বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস (World Intellectual Property day) ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। নবীন লেখক হিসেবে তাই ‘মেধাস্বত্ব’ বিষয়ে সামান্য লেখার প্রয়াস মাত্র। বাংলাদেশে এ দিবসটি নানাভাবে পালিত হলেও লেখক-সাহিত্যিকদের বেলায় এখনো ‘মেধাস্বত্ব’ বিষয়ে অনেকেই আমরা সচেতন নই।

অর্থাৎ মেধাস্বত্ব বলতে ইংরেজি পরিভাষা “কপিরাইট”
(Copyright)এর আক্ষরিক অর্থ যে মৌলিক সৃষ্টির “অনুলিপি তৈরিতে বাঁধা বোঝায়? তা অনেকের বোধগম্য কি-না এখন ভার্চ্যুয়াল লেখা দেখে তা মনে হয়না!
মেধাস্বত্ব/কপি রাইট- সৃষ্টিশীল লেখা বা কাজের সাথে জড়িত। মেধাস্বত্ব বা কপিরাইটের আন্তর্জাতিক চিহ্ন হল © ইংরেজি Copyright শব্দের আদ্যক্ষর C-কে একটি বৃত্তের ভেতরে স্থাপন করা হয়ে থাকে, এবং কিছু কিছু স্থানে বা আইনের এখতিয়ারে এটার বিকল্প হিসেবে (c) বা (C) ও অনেক ক্ষেত্রে লেখা হয়ে থাকে।

সৃষ্টিশীল,বুদ্ধিবিত্তিক শিল্পের বিভিন্ন প্রকার কাজের একটা বিরাট পরিব্যাপ্তিতে ‘মেধাস্বত্ব’ রয়েছে। কারণ,মেধার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মানুষ নিজস্বতায় সৃষ্টি করে বলেই লেখক বা শিল্পসত্তার ‘মেধাস্বত্ব’ এখতিয়ার রয়েছে। পাইরেসি হলে আত্মমর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।তাই গল্প, কবিতা, উপন্যাসসহ অন্যান্য সাহিত্যকর্মেও’ মেধাস্বত্ব’ এখতিয়ারের অন্তর্গত।

আজকাল মেধাস্বত্ব ধরে না রাখার ফলে শিল্প-সাহিত্য থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুই ক্ষতির সম্মুখিন হতে হচ্ছে!পাইরেসি বাংলাদেশে এখন প্রকট আকার ধারণ করছে। আমাদের সচেতনতার অভাবে দেশের বহু শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । পাইরেটেড পণ্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানালেও সাধারণের মাঝে তা তেমন সাড়া ফেলছে না। আজ বাজারে নকল পণ্যের ছড়াছড়ি। নকল পণ্যের ভীড়ে আসল চেনা বা বুঝাও দায়। এ বিষয়ে আমাদের আরোও অনেক বেশি সচেতনতা প্রয়োজন।

যেমনঃ আমাদের সকলের বুঝতে হবে ‘মেধাস্বত্ব’ হলো একটি সম্পত্তির দলিলের মতো যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সম্পত্তি টা কার? তাই,’মেধাস্বত্ব’তার উত্তরাধিকারীও এর মাধ্যমে সৃষ্টির সুফল ভোগ ভোগ করবেন, এভাবেই আমরা অন্যের সৃষ্টিকে নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকবো।
লেখকঃ মীর ছালেহা (প্রধান শিক্ষক-মনোহরদী শাহীন স্কুল)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

“বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস”

Update Time : ০৫:১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি,

আজ ২৬ এপ্রিল,বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস (World Intellectual Property day) ।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। নবীন লেখক হিসেবে তাই ‘মেধাস্বত্ব’ বিষয়ে সামান্য লেখার প্রয়াস মাত্র। বাংলাদেশে এ দিবসটি নানাভাবে পালিত হলেও লেখক-সাহিত্যিকদের বেলায় এখনো ‘মেধাস্বত্ব’ বিষয়ে অনেকেই আমরা সচেতন নই।

অর্থাৎ মেধাস্বত্ব বলতে ইংরেজি পরিভাষা “কপিরাইট”
(Copyright)এর আক্ষরিক অর্থ যে মৌলিক সৃষ্টির “অনুলিপি তৈরিতে বাঁধা বোঝায়? তা অনেকের বোধগম্য কি-না এখন ভার্চ্যুয়াল লেখা দেখে তা মনে হয়না!
মেধাস্বত্ব/কপি রাইট- সৃষ্টিশীল লেখা বা কাজের সাথে জড়িত। মেধাস্বত্ব বা কপিরাইটের আন্তর্জাতিক চিহ্ন হল © ইংরেজি Copyright শব্দের আদ্যক্ষর C-কে একটি বৃত্তের ভেতরে স্থাপন করা হয়ে থাকে, এবং কিছু কিছু স্থানে বা আইনের এখতিয়ারে এটার বিকল্প হিসেবে (c) বা (C) ও অনেক ক্ষেত্রে লেখা হয়ে থাকে।

সৃষ্টিশীল,বুদ্ধিবিত্তিক শিল্পের বিভিন্ন প্রকার কাজের একটা বিরাট পরিব্যাপ্তিতে ‘মেধাস্বত্ব’ রয়েছে। কারণ,মেধার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মানুষ নিজস্বতায় সৃষ্টি করে বলেই লেখক বা শিল্পসত্তার ‘মেধাস্বত্ব’ এখতিয়ার রয়েছে। পাইরেসি হলে আত্মমর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।তাই গল্প, কবিতা, উপন্যাসসহ অন্যান্য সাহিত্যকর্মেও’ মেধাস্বত্ব’ এখতিয়ারের অন্তর্গত।

আজকাল মেধাস্বত্ব ধরে না রাখার ফলে শিল্প-সাহিত্য থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুই ক্ষতির সম্মুখিন হতে হচ্ছে!পাইরেসি বাংলাদেশে এখন প্রকট আকার ধারণ করছে। আমাদের সচেতনতার অভাবে দেশের বহু শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । পাইরেটেড পণ্য এড়িয়ে চলার আহ্বান জানালেও সাধারণের মাঝে তা তেমন সাড়া ফেলছে না। আজ বাজারে নকল পণ্যের ছড়াছড়ি। নকল পণ্যের ভীড়ে আসল চেনা বা বুঝাও দায়। এ বিষয়ে আমাদের আরোও অনেক বেশি সচেতনতা প্রয়োজন।

যেমনঃ আমাদের সকলের বুঝতে হবে ‘মেধাস্বত্ব’ হলো একটি সম্পত্তির দলিলের মতো যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সম্পত্তি টা কার? তাই,’মেধাস্বত্ব’তার উত্তরাধিকারীও এর মাধ্যমে সৃষ্টির সুফল ভোগ ভোগ করবেন, এভাবেই আমরা অন্যের সৃষ্টিকে নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকবো।
লেখকঃ মীর ছালেহা (প্রধান শিক্ষক-মনোহরদী শাহীন স্কুল)