১০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে ক্লিনিককেন্দ্রিক সম্পর্ক: বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন, উধাও প্রেমিক

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি ক্লিনিকে যৌথভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন তরুণীর বাবা ও অভিযুক্ত যুবকের মা। ওই ক্লিনিকেই নার্স হিসেবে কাজ করতেন তরুণী বর্ণা (ছদ্মনাম)। সেই সূত্রে ক্লিনিকে নিয়মিত আসা-যাওয়া শুরু করেন সজল বালা (ছদ্মনাম)। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিকের একটি কক্ষে তারা নিয়মিত সময় কাটাতেন। পরে বর্ণা বিয়ের দাবি জানালে সজল নানা টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি বর্ণাকে নিজের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসার পরামর্শ দিয়ে সেখান থেকে সরে পড়েন।
বর্তমানে বর্ণা কোটালীপাড়ায় সজলের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে। দাবি আদায় না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সজল বালার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

গোপালগঞ্জে ক্লিনিককেন্দ্রিক সম্পর্ক: বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন, উধাও প্রেমিক

Update Time : ১২:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি ক্লিনিকে যৌথভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন তরুণীর বাবা ও অভিযুক্ত যুবকের মা। ওই ক্লিনিকেই নার্স হিসেবে কাজ করতেন তরুণী বর্ণা (ছদ্মনাম)। সেই সূত্রে ক্লিনিকে নিয়মিত আসা-যাওয়া শুরু করেন সজল বালা (ছদ্মনাম)। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্লিনিকের একটি কক্ষে তারা নিয়মিত সময় কাটাতেন। পরে বর্ণা বিয়ের দাবি জানালে সজল নানা টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি বর্ণাকে নিজের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসার পরামর্শ দিয়ে সেখান থেকে সরে পড়েন।
বর্তমানে বর্ণা কোটালীপাড়ায় সজলের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে। দাবি আদায় না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সজল বালার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে।