০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় রইচপুর উত্তর পাড়া ব্রিজ ও সড়ক পরিদর্শন জনদুর্ভোগ লাঘবে জামায়াত নেতৃবৃন্দের আশাবাদ

 

 

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন সাতক্ষীরা।।
সাতক্ষীরা পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের রইচপুর উত্তর পাড়া সংলগ্ন ব্রিজ ও তৎসংলগ্ন চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে ব্রিজের দুই পাশের মালিআনা (ব্যক্তিগত) জমি ও চলাচলের পথ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তারা। এসময় নেতৃবৃন্দ এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে রাস্তার উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণ বিষয়ে স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক, সাত নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বকুল, সাতক্ষীরা পৌর সাত নম্বর ওয়ার্ড আমির হাফেজ মাও. নুরুল হক, সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, যুব বিভাগের মিডিয়া সম্পাদক তরিকুল ইসলাম স্বাধীনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ দেখেন যে, ব্রিজের দুই পাশে রাস্তার পরিবেশ অত্যন্ত নাজুক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এলাকার কৃষকদের মাঠ থেকে ধান ও ঘেরের মাছ আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার দুই পাশে ব্যক্তিগত জমি থাকায় সড়কটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, “এই রাস্তাটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য বৃষ্টিতেই এখানে কাদা-পানি ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ব্রিজের ঢালু ও ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক বা ভ্যান উঠতে গিয়ে পেছনে ব্যাক করে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা এলাকাবাসীর এই দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে দ্রুত কথা বলব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যাতে ধান কাটার পর কৃষকদের ফসল নিয়ে চলাচলে কষ্ট পেতে না হয়। এই সড়ক ও ব্রিজের সমস্যা সমাধানে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

নেতৃবৃন্দ আশ্বস্ত করেন যে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভারী যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সুগম করতে রাস্তার প্রশস্ততা বাড়ানো এবং সংস্কারের বিষয়ে তারা দ্রুত উদ্যোগ নেবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

সাতক্ষীরায় রইচপুর উত্তর পাড়া ব্রিজ ও সড়ক পরিদর্শন জনদুর্ভোগ লাঘবে জামায়াত নেতৃবৃন্দের আশাবাদ

Update Time : ০৪:০৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

 

 

মোঃ মোকাররাম বিল্লাহ ইমন সাতক্ষীরা।।
সাতক্ষীরা পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের রইচপুর উত্তর পাড়া সংলগ্ন ব্রিজ ও তৎসংলগ্ন চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে ব্রিজের দুই পাশের মালিআনা (ব্যক্তিগত) জমি ও চলাচলের পথ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তারা। এসময় নেতৃবৃন্দ এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে রাস্তার উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণ বিষয়ে স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক, সাত নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বকুল, সাতক্ষীরা পৌর সাত নম্বর ওয়ার্ড আমির হাফেজ মাও. নুরুল হক, সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, যুব বিভাগের মিডিয়া সম্পাদক তরিকুল ইসলাম স্বাধীনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ দেখেন যে, ব্রিজের দুই পাশে রাস্তার পরিবেশ অত্যন্ত নাজুক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এলাকার কৃষকদের মাঠ থেকে ধান ও ঘেরের মাছ আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার দুই পাশে ব্যক্তিগত জমি থাকায় সড়কটি সংকুচিত হয়ে পড়েছে, ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, “এই রাস্তাটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্য বৃষ্টিতেই এখানে কাদা-পানি ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ব্রিজের ঢালু ও ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক বা ভ্যান উঠতে গিয়ে পেছনে ব্যাক করে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা এলাকাবাসীর এই দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে দ্রুত কথা বলব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যাতে ধান কাটার পর কৃষকদের ফসল নিয়ে চলাচলে কষ্ট পেতে না হয়। এই সড়ক ও ব্রিজের সমস্যা সমাধানে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

নেতৃবৃন্দ আশ্বস্ত করেন যে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভারী যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সুগম করতে রাস্তার প্রশস্ততা বাড়ানো এবং সংস্কারের বিষয়ে তারা দ্রুত উদ্যোগ নেবেন।