১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবিক উদ্যোগে আলোচনায় কাবিল মিয়া ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটারদের আস্থার প্রতীক

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

গোপালগঞ্জ পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে হাজী মোঃ কাবিল মিয়ার নাম। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
জানা গেছে, হাজী মোঃ কাবিল মিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর গোপালগঞ্জ পৌর শাখার স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন।
পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাবিল মিয়া দিন-রাত নির্বিশেষে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। অসুস্থতা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সাড়া দিয়ে সহায়তা করেন তিনি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ফার্মেসির মাধ্যমে স্বল্প খরচে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া এবং কম খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
একাধিক ভোটার বলেন, “তিনি শুধু নির্বাচনের সময় নন, সারা বছরই মানুষের পাশে থাকেন। বিপদের সময়ে তাঁকে কাছে পাওয়া যায়—এটাই আমাদের আস্থার জায়গা।”
আরেকজন ভোটারের ভাষায়, “কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী একজন মানুষ তিনি। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবায় তাঁর আন্তরিকতা স্পষ্ট।”
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে মানবিক কর্মকাণ্ডই কাবিল মিয়াকে আলাদা করেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, জরুরি মুহূর্তে সহযোগিতা এবং নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার কারণে তাঁর প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রতিযোগিতা বাড়লে এই ধরনের জনসম্পৃক্ততা প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সে হিসেবে কাবিল মিয়ার সক্রিয়তা তাঁকে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে পারে।
সব মিলিয়ে, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সৎ, জনবান্ধব ও সক্রিয় নেতৃত্বের প্রত্যাশায় থাকা ভোটারদের কাছে হাজী মোঃ কাবিল মিয়া এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর কার্যক্রম নির্বাচনী মাঠে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

মানবিক উদ্যোগে আলোচনায় কাবিল মিয়া ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটারদের আস্থার প্রতীক

Update Time : ০২:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

মোঃ শিহাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

গোপালগঞ্জ পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে হাজী মোঃ কাবিল মিয়ার নাম। দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
জানা গেছে, হাজী মোঃ কাবিল মিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর গোপালগঞ্জ পৌর শাখার স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন।
পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাবিল মিয়া দিন-রাত নির্বিশেষে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। অসুস্থতা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সাড়া দিয়ে সহায়তা করেন তিনি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ফার্মেসির মাধ্যমে স্বল্প খরচে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া এবং কম খরচে অ্যাম্বুলেন্স সেবার ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
একাধিক ভোটার বলেন, “তিনি শুধু নির্বাচনের সময় নন, সারা বছরই মানুষের পাশে থাকেন। বিপদের সময়ে তাঁকে কাছে পাওয়া যায়—এটাই আমাদের আস্থার জায়গা।”
আরেকজন ভোটারের ভাষায়, “কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী একজন মানুষ তিনি। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবায় তাঁর আন্তরিকতা স্পষ্ট।”
স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে মানবিক কর্মকাণ্ডই কাবিল মিয়াকে আলাদা করেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, জরুরি মুহূর্তে সহযোগিতা এবং নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার কারণে তাঁর প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রতিযোগিতা বাড়লে এই ধরনের জনসম্পৃক্ততা প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সে হিসেবে কাবিল মিয়ার সক্রিয়তা তাঁকে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে পারে।
সব মিলিয়ে, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সৎ, জনবান্ধব ও সক্রিয় নেতৃত্বের প্রত্যাশায় থাকা ভোটারদের কাছে হাজী মোঃ কাবিল মিয়া এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর কার্যক্রম নির্বাচনী মাঠে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।