১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামুর ঈদগড়ে ‘আকাশ’শতবর্ষী গজারিগাছ ঘিরে গড়ে উঠতে পারে নতুন পর্যটন স্পট

 

আব্দুল্লাহ আলভী,রামু প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়ের করলিয়ামুরা এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক গজারিগাছ যাকে স্থানীয়রা স্নেহভরে ডাকেন ‘আকাশ’ নামে। প্রায় ২২৫ বছরের এই মাতৃবৃক্ষটির উচ্চতা প্রায় ৯২ ফুট। বহু প্রজন্ম ধরে গাছটি ঈদগড়বাসীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্মৃতির অংশ হয়ে আছে।

স্থানীয়দের ভাষায়, একসময় পুরো পাহাড়জুড়ে ছিল অসংখ্য গজারি ও গর্জনগাছ। কিন্তু গাছ কাটার ধারাবাহিকতায় সবকিছু প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। এখন দাঁড়িয়ে আছে শুধু ইতিহাসের সাক্ষী ‘আকাশ’। এলাকাবাসীর দাবি এ গাছটিও দখলদারদের নজরে পড়ে গেছে। তাই দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাছটির গোড়ার পরিধি প্রায় ২৮ ফুট। এখনো নিয়মিত ফল দিচ্ছে, জন্ম নিচ্ছে নতুন চারা। গাছের নিচে একটি পাথরের ফলকে লেখা
“আমায় বাঁচতে দিন। লোভাতুর মানুষের আঘাতে আমার অস্তিত্ব বিপন্ন করবেন না।”
এই ফলকটি কক্সবাজার জেলা পরিষদের সহযোগিতায় ২০০৬ সালে স্থাপন করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য গাছের ছায়াতলে পাথরের বৃত্তাকার বসার স্থানও তৈরি করা হয়েছিল।

এলাকাবাসীরা জানায়, আগে প্রতিদিন অনেকে আসতেন ‘

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

রামুর ঈদগড়ে ‘আকাশ’শতবর্ষী গজারিগাছ ঘিরে গড়ে উঠতে পারে নতুন পর্যটন স্পট

Update Time : ১২:৩৮:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

আব্দুল্লাহ আলভী,রামু প্রতিনিধি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়ের করলিয়ামুরা এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক গজারিগাছ যাকে স্থানীয়রা স্নেহভরে ডাকেন ‘আকাশ’ নামে। প্রায় ২২৫ বছরের এই মাতৃবৃক্ষটির উচ্চতা প্রায় ৯২ ফুট। বহু প্রজন্ম ধরে গাছটি ঈদগড়বাসীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্মৃতির অংশ হয়ে আছে।

স্থানীয়দের ভাষায়, একসময় পুরো পাহাড়জুড়ে ছিল অসংখ্য গজারি ও গর্জনগাছ। কিন্তু গাছ কাটার ধারাবাহিকতায় সবকিছু প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। এখন দাঁড়িয়ে আছে শুধু ইতিহাসের সাক্ষী ‘আকাশ’। এলাকাবাসীর দাবি এ গাছটিও দখলদারদের নজরে পড়ে গেছে। তাই দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাছটির গোড়ার পরিধি প্রায় ২৮ ফুট। এখনো নিয়মিত ফল দিচ্ছে, জন্ম নিচ্ছে নতুন চারা। গাছের নিচে একটি পাথরের ফলকে লেখা
“আমায় বাঁচতে দিন। লোভাতুর মানুষের আঘাতে আমার অস্তিত্ব বিপন্ন করবেন না।”
এই ফলকটি কক্সবাজার জেলা পরিষদের সহযোগিতায় ২০০৬ সালে স্থাপন করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য গাছের ছায়াতলে পাথরের বৃত্তাকার বসার স্থানও তৈরি করা হয়েছিল।

এলাকাবাসীরা জানায়, আগে প্রতিদিন অনেকে আসতেন ‘