১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বয়স হার মানে ভালোবাসার কাছে,শ্রীমঙ্গলের বীর মুক্তিযোদ্ধা চাচার ঈদ আনন্দ

বাবলু আচার্য্য
মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ-
শ্রীমঙ্গলের চেনা মুখ, আমার স্নেহের ছোট ভাই সাংবাদিক সোলেমান আহমদ মানিক-এর শ্রদ্ধেয় আব্বা, আমার প্রিয় চাচা আজ সকাল থেকেই চোখে পড়ল এক আবেগঘন দৃশ্য। বয়স প্রায় ৭৫ হলেও, বীর মুক্তিযোদ্ধা এই চাচার পদচারণায় যেন কোনো ক্লান্তি নেই। শরীর কিছুটা নুয়ে পড়েছে, চেহারায় বার্ধক্যের রেখা স্পষ্ট, কিন্তু হৃদয় ও ভালোবাসা আজও অমলিন।
আজ তিনি নিজের পুত্রবধূ ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে ঈদের কেনাকাটার জন্য বের হয়েছেন। শ্রীমঙ্গল চৌমুহনায় Excillent জুতার দোকানে তিনি নাতনি ও পুত্রবধূর জন্য জুতা বেছে নিচ্ছেন, চাচাকে দেখে খুশলাদি জিজ্ঞেস করার পর চাচা বললেন, নাতনি ও পুত্রবধুদ ও পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা করতে পেরেছি এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ।
নাতি-নাতনিদের হাসি, পুত্রবধূর আনন্দ দেখার জন্য তিনি আরও উদ্যমী। একজন বাবার কাছে সন্তানের খুশি আর নাতি-নাতনিদের হাসিমুখের চেয়ে বড় কোনো ঈদ উপহার নেই, আর আমার চাচা তা আজও জীবন্তভাবে প্রমাণ করেছেন।
চাচাকে দেখে মনে হলো বয়স শুধু সংখ্যা, কিন্তু ভালোবাসা কখনোই বৃদ্ধ হয় না। তাঁর ধীর, অথচ অটল পদক্ষেপে ফুটে উঠেছে স্নেহ, দায়িত্ব এবং এক জীবনের গল্প। প্রিয় চাচার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ঈশ্বর/আল্লাহ যেন তাঁকে সুস্থ ও দীর্ঘায়ু দান করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

বয়স হার মানে ভালোবাসার কাছে,শ্রীমঙ্গলের বীর মুক্তিযোদ্ধা চাচার ঈদ আনন্দ

Update Time : ০৩:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বাবলু আচার্য্য
মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ-
শ্রীমঙ্গলের চেনা মুখ, আমার স্নেহের ছোট ভাই সাংবাদিক সোলেমান আহমদ মানিক-এর শ্রদ্ধেয় আব্বা, আমার প্রিয় চাচা আজ সকাল থেকেই চোখে পড়ল এক আবেগঘন দৃশ্য। বয়স প্রায় ৭৫ হলেও, বীর মুক্তিযোদ্ধা এই চাচার পদচারণায় যেন কোনো ক্লান্তি নেই। শরীর কিছুটা নুয়ে পড়েছে, চেহারায় বার্ধক্যের রেখা স্পষ্ট, কিন্তু হৃদয় ও ভালোবাসা আজও অমলিন।
আজ তিনি নিজের পুত্রবধূ ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে ঈদের কেনাকাটার জন্য বের হয়েছেন। শ্রীমঙ্গল চৌমুহনায় Excillent জুতার দোকানে তিনি নাতনি ও পুত্রবধূর জন্য জুতা বেছে নিচ্ছেন, চাচাকে দেখে খুশলাদি জিজ্ঞেস করার পর চাচা বললেন, নাতনি ও পুত্রবধুদ ও পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা করতে পেরেছি এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ।
নাতি-নাতনিদের হাসি, পুত্রবধূর আনন্দ দেখার জন্য তিনি আরও উদ্যমী। একজন বাবার কাছে সন্তানের খুশি আর নাতি-নাতনিদের হাসিমুখের চেয়ে বড় কোনো ঈদ উপহার নেই, আর আমার চাচা তা আজও জীবন্তভাবে প্রমাণ করেছেন।
চাচাকে দেখে মনে হলো বয়স শুধু সংখ্যা, কিন্তু ভালোবাসা কখনোই বৃদ্ধ হয় না। তাঁর ধীর, অথচ অটল পদক্ষেপে ফুটে উঠেছে স্নেহ, দায়িত্ব এবং এক জীবনের গল্প। প্রিয় চাচার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ঈশ্বর/আল্লাহ যেন তাঁকে সুস্থ ও দীর্ঘায়ু দান করেন।