
স্বার্থের মোহে নহে, কবির কলম চলে সত্যের প্রবাহে,
মঙ্গল বাসনায় আঁধার টুটাতে সাম্যের গান গাহে।
প্রীতিলতায় জড়িয়ে রাখে কলমের আঁচড়ে,
প্রভাতের মিষ্টি আলো খোঁজে প্রতিটি প্রহরে।
ষড়ঋতুর খোলস পাল্টানো চিত্রের বিবর্ণতা,
কলমের ডগায় কাব্যকথা চাহে সুবর্ণতা।
অধিকারহারা মানবের চীৎকারে কবির টনক নড়ে,
সুরলা আর দ্রোহের কন্ঠে কাগজের পাতা ভরে।
চাহে নির্মলতা,শান্তি সৌহার্দ গগণভরা তারা,
নাহি ভেদাভেদ মানবকূলে শ্লোগান থাকে ভরা।
হিংসা দ্বেষ মাড়িয়ে তোলে শান্তির কেতন,
বিশ্ব জাতির শিক্ষক তারা মানবিকতার বাহন।
ভৌগোলিক সীমারেখা নাহি টানে বিশ্বভরা প্রাণ,
অসত্য অসুন্দরের বিরুদ্ধে কলমে জাগায় গান।
সতেজ নিঃশ্বাসে খোঁজে কেয়া আর কদম্ব ফুল,
রৌদ্র বাদলে লেখে কবিতা রাঙায় নদীর কুল।
ভাবুক তারা শব্দচাষি কাব্যিকভরা মন,
বক্ষ আঙিনায় সুর ও ছন্দে মজে থাকে দিবাক্ষণ।
ঝরঝরে হাসি মুঠো স্বপ্ন পোষে হৃদয় আঙিনা জুড়ে,
বিশ্বাসের দেয়াল ঠুনকো নহে,বিশ্বভুবন ঘুরে।
মেধা মননের দৈর্ঘ্য প্রস্থ যেন আকাশ ছোঁয়া,
পুষ্পবৃষ্টিতে ভিজে সদা, ভুলোমন খাওয়া নাওয়া।
আপ্যায়নপ্রিয়, সুবচন গ্রোথিত আনন্দে মাতে হিয়া,
লাবণ্যতার হাসিতে রাঙায় কলম কালি দিয়া।
মন চলে যায় আবির রঙে, ভাসে মেঘের ভেলায়,
রঙধনুতে ডুবে থাকে মন কাব্যরসের খেলায়।
কল্পনার আঁচড়ে সাজায় বাসর,খোঁজে প্রীতির সুর,
হাসি কান্নায় গল্প বুননে জগে কি সুমধুর ।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে কবি কলমের ডগায়,
পথশিশুর ক্ষুর্ধাত কান্নায় ব্যথিত সুর জাগায়।
বিশ্বশান্তি উন্নয়নে রাখে কাব্যিক চেতনা,
চেতনার বহৃিশিখায় খোঁজে আলোর নিশানা।
চায় না প্রাসাদ,সুরম্য দালান,চায় শান্তির কুল,
মেঠোপথ আর ঝিলে ফোটা রাঙা শাপলা ফুল।
সবুজ মাঠ,কৃষকের হাসি, উড়ে চলা প্রজাপতি,
প্রকৃতিপ্রেমী কলম সৈনিক তারা বিশ্বের যেন জ্ঞাতি।
মানবতা জাগরণে সৃজন করে উপন্যাস কবিতা,
শত দুঃখেও থাকে হাসি,আর নির্ভেজাল আতিথিয়েতা।
সহজ সারল্য মসৃণ মেধা বিশ্বজাগরণ মন,
বিশ্বজাতির শিক্ষক তারা, করে কলমেই আলাপন।
—— আব্দুল হামিদ সরকার
প্রতিনিধির নাম 



















