০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনোয়ারা থানায় দুই দফা অভিযান সম্রাট গ্রেফতার

 

কামরুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনার পর দুই দফা অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সম্রাট গ্রুপের প্রধান মো. সম্রাটকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা এলাকার সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আরও দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সম্রাট বারখাইন ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শোলকাটা গ্রামের ইলিয়াস মির্জা কালুর ছেলে। সে আনোয়ারা থানার তালিকাভুক্ত শীর্ষ দাগী সন্ত্রাসী। অন্য আটক ব্যক্তিরা হলো, জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের খুরুস্কুল গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে ও সম্রাটের চাচা মো. কামাল (২৫) এবং শোলকাটা গ্রামের সৈয়দ নুরের স্ত্রী রুবি আক্তার (৩৫)।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল চন্দ্র দাস, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুল আফছার ও এএসআই সুমন কুমার ধর। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শোলকাটা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায় আনোয়ারা থানা পুলিশ। এসআই শিমুল চন্দ্র দাস ও এএসআই নুরুল আফছারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে সম্রাট ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের জঙ্গলে পালিয়ে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে আবারও তথ্য পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। বেলা ১১টার দিকে পরিবারসহ মালামাল নিয়ে ভ্যানে করে এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতিকালে শোলকাটা এলাকার একটি সড়ক থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তিন সদস্য আহত হন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাটের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।সে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির প্রস্তুতি, দস্যুতা ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত নয়টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘অভিযানে সম্রাটসহ দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। তাঁকে সড়ক থেকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সম্রাট গ্রুপের চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাঈনুদ্দীন মহিমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শোলকাটা এলাকায় কয়েক দফা সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের হামলায় পাঁচজন আহত হন এবং বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনার পর দুই দফা অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সম্রাট গ্রুপের প্রধান মো. সম্রাটকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা এলাকার সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আরও দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সম্রাট বারখাইন ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শোলকাটা গ্রামের ইলিয়াস মির্জা কালুর ছেলে। সে আনোয়ারা থানার তালিকাভুক্ত শীর্ষ দাগী সন্ত্রাসী। অন্য আটক ব্যক্তিরা হলো, জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের খুরুস্কুল গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে ও সম্রাটের চাচা মো. কামাল (২৫) এবং শোলকাটা গ্রামের সৈয়দ নুরের স্ত্রী রুবি আক্তার (৩৫)।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল চন্দ্র দাস, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুল আফছার ও এএসআই সুমন কুমার ধর। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শোলকাটা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায় আনোয়ারা থানা পুলিশ। এসআই শিমুল চন্দ্র দাস ও এএসআই নুরুল আফছারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে সম্রাট ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের জঙ্গলে পালিয়ে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে আবারও তথ্য পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। বেলা ১১টার দিকে পরিবারসহ মালামাল নিয়ে ভ্যানে করে এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতিকালে শোলকাটা এলাকার একটি সড়ক থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তিন সদস্য আহত হন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাটের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।সে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির প্রস্তুতি, দস্যুতা ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত নয়টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘অভিযানে সম্রাটসহ দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। তাঁকে সড়ক থেকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সম্রাট গ্রুপের চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাঈনুদ্দীন মহিমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শোলকাটা এলাকায় কয়েক দফা সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের হামলায় পাঁচজন আহত হন এবং বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

আনোয়ারা থানায় দুই দফা অভিযান সম্রাট গ্রেফতার

Update Time : ০৪:১৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

 

কামরুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনার পর দুই দফা অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সম্রাট গ্রুপের প্রধান মো. সম্রাটকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা এলাকার সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আরও দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সম্রাট বারখাইন ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শোলকাটা গ্রামের ইলিয়াস মির্জা কালুর ছেলে। সে আনোয়ারা থানার তালিকাভুক্ত শীর্ষ দাগী সন্ত্রাসী। অন্য আটক ব্যক্তিরা হলো, জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের খুরুস্কুল গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে ও সম্রাটের চাচা মো. কামাল (২৫) এবং শোলকাটা গ্রামের সৈয়দ নুরের স্ত্রী রুবি আক্তার (৩৫)।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল চন্দ্র দাস, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুল আফছার ও এএসআই সুমন কুমার ধর। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শোলকাটা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায় আনোয়ারা থানা পুলিশ। এসআই শিমুল চন্দ্র দাস ও এএসআই নুরুল আফছারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে সম্রাট ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের জঙ্গলে পালিয়ে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে আবারও তথ্য পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। বেলা ১১টার দিকে পরিবারসহ মালামাল নিয়ে ভ্যানে করে এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতিকালে শোলকাটা এলাকার একটি সড়ক থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তিন সদস্য আহত হন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাটের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।সে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির প্রস্তুতি, দস্যুতা ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত নয়টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘অভিযানে সম্রাটসহ দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। তাঁকে সড়ক থেকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সম্রাট গ্রুপের চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাঈনুদ্দীন মহিমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শোলকাটা এলাকায় কয়েক দফা সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের হামলায় পাঁচজন আহত হন এবং বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনার পর দুই দফা অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সম্রাট গ্রুপের প্রধান মো. সম্রাটকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা এলাকার সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আরও দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সম্রাট বারখাইন ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শোলকাটা গ্রামের ইলিয়াস মির্জা কালুর ছেলে। সে আনোয়ারা থানার তালিকাভুক্ত শীর্ষ দাগী সন্ত্রাসী। অন্য আটক ব্যক্তিরা হলো, জুঁইদণ্ডী ইউনিয়নের খুরুস্কুল গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে ও সম্রাটের চাচা মো. কামাল (২৫) এবং শোলকাটা গ্রামের সৈয়দ নুরের স্ত্রী রুবি আক্তার (৩৫)।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল চন্দ্র দাস, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুল আফছার ও এএসআই সুমন কুমার ধর। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শোলকাটা এলাকায় প্রথম অভিযান চালায় আনোয়ারা থানা পুলিশ। এসআই শিমুল চন্দ্র দাস ও এএসআই নুরুল আফছারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে সম্রাট ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের জঙ্গলে পালিয়ে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে আবারও তথ্য পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। বেলা ১১টার দিকে পরিবারসহ মালামাল নিয়ে ভ্যানে করে এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতিকালে শোলকাটা এলাকার একটি সড়ক থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তিন সদস্য আহত হন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাটের কাছ থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।সে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির প্রস্তুতি, দস্যুতা ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত নয়টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নেতৃত্বে একটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘অভিযানে সম্রাটসহ দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। তাঁকে সড়ক থেকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সম্রাট গ্রুপের চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাঈনুদ্দীন মহিমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শোলকাটা এলাকায় কয়েক দফা সংঘর্ষ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের হামলায় পাঁচজন আহত হন এবং বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।