১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হোয়াইক্যংয়ে সড়কের পাশে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল

 

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ :

কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং স্টেশনের উত্তর মাথায় টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পূর্ব পাশে সড়কের একটি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের পাশের মাটি সরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়াইক্যং স্টেশনের উত্তর মাথায় সড়কের পূর্ব পাশে বেশ কিছুদিন ধরে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। বৃষ্টির পানি প্রবাহের কারণে ভাঙন আরও বাড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দিয়ে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ভাঙনস্থলের পাশে সতর্কতামূলক সংকেত চিহ্ন দিয়ে রেখেছেন।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “সড়কের পাশে ভাঙন তৈরি হওয়ায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। বিশেষ করে রাতে চালকরা বিষয়টি বুঝতে না পারলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত ভাঙনস্থল সংস্কার করা প্রয়োজন।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বৃষ্টির কারণে সড়কের পাশের মাটি ধসে যাচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।”
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহজালাল বলেন, “বহুদিন ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত বর্ষণের কারণে এ ধরনের ঘটনা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী বলেন, “স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”
হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবসার বলেন, “বিষয়টি ইউএনও স্যার ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের অবগত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলা প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি তাদের দায়িত্বের আওতাভুক্ত নয়। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ভাঙনস্থলটি দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি বদলি

হোয়াইক্যংয়ে সড়কের পাশে ভাঙন, ঝুঁকিতে যান চলাচল

Update Time : ০৩:১৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ :

কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং স্টেশনের উত্তর মাথায় টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের পূর্ব পাশে সড়কের একটি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের পাশের মাটি সরে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে ওই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়াইক্যং স্টেশনের উত্তর মাথায় সড়কের পূর্ব পাশে বেশ কিছুদিন ধরে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। বৃষ্টির পানি প্রবাহের কারণে ভাঙন আরও বাড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দিয়ে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ভাঙনস্থলের পাশে সতর্কতামূলক সংকেত চিহ্ন দিয়ে রেখেছেন।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “সড়কের পাশে ভাঙন তৈরি হওয়ায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। বিশেষ করে রাতে চালকরা বিষয়টি বুঝতে না পারলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত ভাঙনস্থল সংস্কার করা প্রয়োজন।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বৃষ্টির কারণে সড়কের পাশের মাটি ধসে যাচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।”
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহজালাল বলেন, “বহুদিন ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত বর্ষণের কারণে এ ধরনের ঘটনা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী বলেন, “স্থানীয় সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”
হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবসার বলেন, “বিষয়টি ইউএনও স্যার ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের অবগত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলা প্রকৌশলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি তাদের দায়িত্বের আওতাভুক্ত নয়। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ভাঙনস্থলটি দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।